মাটিরাঙ্গায় কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’

fec-image

চীন থেকে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে সারাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। আর এ পরিস্তিতিতে সারাদেশের ন্যায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে পিছিয়েপড়া জনপদ মাটিরাঙ্গা পৌরসভার অসহায়-দিনমজুর মানুষ। খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত খাদ্য সহায়তা মাটিরাঙ্গার এসব কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছে মাটিরাঙ্গা পৌরসভা।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে ত্রাণ নয় ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ খাদ্য সহায়তা তুলে দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ।

এসময় মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক, সংশ্লিষ্ট এলাকায় করোনা কার্যক্রমের তদারকি কর্মকর্তা মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ মো. আশরাফ উদ্দিন, মাটিরাঙ্গা উপজেরা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুবাস চাকমা এবং মাটিরাঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আলাউদ্দিন লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এরপরপরই বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের মাধ্যমে খেটে খাওয়া দুই সহস্রাধিক শ্রমজীবী, হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের কর্মহীন মানুষদের ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া হয় ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’।

দ্বিতীয় পর্যায়ে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের দুই হাজার শ্রমজীবী, হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের কর্মহীন মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে জানিয়ে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক বলেন, সরকারের নির্দেশ আমাদের এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। অতীতের মতোই করোনার মহামারীতে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার নিঃস্ব মানুষগুলোর পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।

ত্রাণ নয় ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ খাদ্য সহায়তা পৌছে দিতে হবে এমন মন্তব্য করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ বলেন, বারবার অনুরোধের পরেও কেউ ঘরে থাকছেনা। মানুষকে ঘরে থাকার জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকলের জন্য তার পক্ষ থেকে উপহার পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশে মানুষের সুরক্ষার জন্য প্রশাসন সবসময় মাঠে আছে ও থাকবে।

এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি সহযোগিতার বাইরেও ব্যক্তি উদ্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × four =

আরও পড়ুন