মাটিরাঙ্গায় পল্লী চিকিৎসক হত্যার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

fec-image

 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপু হত্যারকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার পুর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাগড়াছড়ির মাটারাঙার প্রধান সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম হেলাল।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া।

এমন জঘন্য ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদদের দ্রুত গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করে সংগঠনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি হত্যা নতুন কিছু নয়, এভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙালি উচ্ছেদের নীলনকশা হিসেবে ৩০ হাজার বাঙালিকে খুন করা হয়েছে।

পার্বত্যঞ্চলে উপজাতি সন্ত্রাসী কর্তৃক কোন হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার কারণে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে জেএসএস ও ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা।

মাটিরাঙার পল্লী চিকিৎসক নূর মোহাম্মদ টিপু হত্যাকারীসহ সকল বাঙালি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের মহাসচিব সাবেক মেয়র আলমগীর কবির বলেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে পাহাড়ে বাঙালীরা আর চুপ করে থাকবেনা।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মজিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর এস এম মাসুম রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাটিরাঙা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনিসুজ্জামান ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন।

দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. লোকমান হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাসুদ, ও ছাত্রনেতা আহম্মেদ রেদওয়ানসহ কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোর সাড়ে চারটার দিকে স্বজনের অসুস্থতার কথা বলে তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় তিন অজ্ঞাত উপজাতিয় যুবক।

চিকিৎসার জন্য ডেকে নেয়ার দশ ঘণ্টা পর বেলা দেড়টার দিকে স্থানীয়রা খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা ব্রীজের নীচে পা বাধা বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশকে খবর দিলে বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen − 17 =

আরও পড়ুন