মানিকছড়ি’র সেই অভিভাবকহীন শিশুদের শীতবস্ত্র দিলেন গ্রাজুয়েট ফোরাম

fec-image

 মানিকছড়ি’র অভিভাবহীন সেই চার শিশু’র শীত নিবারণে এগিয়ে এলেন উপজেলা গ্রাজুয়েট ফোরাম ও প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদকসহ আরও অনেকে। ৭ ফেব্রুয়ারি এসব শিশুদের অমানবিক জীবনযাত্রা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অজপাড়া গ্রামের মানবপ্রেমীদের পদযাত্রা বেড়েছে।

উপজেলার ৪নং তিনটহরী ইউপি’র অজপাড়া জনপদ ৫নং ওয়ার্ড রাঙ্গাপানি গ্রামে পিতৃ ও মাতৃহীন পরিবারে স্নেহ-মমতাহীন পরিবেশে বেড়ে উঠা চার অবুঝ শিশু’র অমানবিক জীবন অববাহিকা নিয়ে পার্বত্যনিউজে সংবাদ প্রকাশের পর মানবতাপ্রেমী ফেরিওয়ালাদের দৃষ্টিগোচর হয়।

পরে বিকাল থেকে ওই নির্মমতার শিকার চার শিশুকে দেখতে ছুঁটে যান সাংবাদিক, যুব রেডক্রিসেন্ট কর্মীসহ অরো অনেকে। এদের মধ্যে উপজেলা গ্রাজুয়েট ফোরাম, প্রেসক্লাব ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান নিজ উদ্যোগে অসহায় শিশুদের শীত নিবারণে শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হন তিনি।

এ সময় তথ্যদাতা মানবতার ফেরিওয়ালা চহ্লাপ্রু কার্বারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইমন ত্রিপুরা ও ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ম্রাসাথোয়াই মারমা উপস্থিত ছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর আরেক মানবতাপ্রেমী ছদুরখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতালী মারমা ও যুব রেড ক্রিসেন্ট কর্মী থোয়াইংপ্রু মারমা শিশুদের জন্য জামা-কাপড় ও নগদ অর্থ নিয়ে উপস্থিত হন। এ সময় নির্বাক শিশুরা শীতের পরশ কম্বল ও জামা-কাপড় পেয়ে এবং সহায়তার আশ্বাস পেয়ে মাথা উচুঁ করে দীর্ঘশ্বাস নিচ্ছিল।

এ সময় ইউপি সদস্য ম্রাসাথোয়াই মারমা জানান, এসব অসহায় শিশুদের পিতার নিজ নামে .৪০ শতক ধান্য জমি এবং খাস দখলীয় ৫শতক ভূমি ছাড়া কিছুই নেই। প্রশাসন চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প থেকে যদি একটি ঘর উপহার দেওয়া যেতো, তাহলে ওদের স্থায়ী মাথা গুজার ঠাঁই হতো। এ ছাড়া শিশুরা এখন খাদ্য সংকটে ভুগছে বেশি।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 − 4 =

আরও পড়ুন