মারমা যুবককে অপহরণের অভিযোগে বাঙালিসহ ৯ চাকমা শ্রমিক গ্রেফতার

fec-image

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা ফ্রেশ ইকোনোমিক জোনে কর্মরত শ্রমিক চাইহলা মারমা (২২) নামে এক যুবককে অপহরণের অভিযোগে একজন বাঙালিসহ ৯ চাকমা শ্রমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ জুন) রাতে সোনারগাঁ পৌরসভার টিপরদী এলাকায় অপহরণের ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার রাতে সোনারগাঁ পৌরসভার গোয়ালদী এলাকা থেকে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত হলো, জ্যাকমন ওরফে সুমন চাকমা, পলাশ জ্যোতি চাকমা, রুকেল ওরফে সুনিল বিকাশ চাকমা, তন্টু চাকমা, সুজন চাকমা, রাসেল চাকমা, মিন্টু চাকমা, হিমালয় চাকমা, জুরন্যা চাকমা ও হাবিবুর রহমান।

এ ঘটনায় অপহৃত যুবকের মা আথুইমা মারমা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন।

আথুইমা মারমা তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ৫ জুন বুধবার রাত সাড়ে ৮টার সময় তার ছেলে চাইহলা মারমা সোনারগাঁয়ে অবস্থিত মেঘনা ফ্রেশ ইকোনোমিক জোনে কাজ শেষে ভাড়া বাড়িতে ফেরার পথে গোয়ালদী বাকি বিল্লাহ নামে এক মুদি দোকেনের সামনে রাস্তা থেকে তার ছেলেকে জোর পূর্বক অপহরণ করে সুমন চাকমা (২২) ও পলাশ জ্যোতি চাকমাসহ একটি সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্র। এসময় চক্রের সদস্যরা তার ছেলেকে সোনারগাঁ পৌরসভার গোয়ালদী এলাকার হাবিবুর রহমানের বাড়ীর দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে হত্যার হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোনে নব্বই হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ছেলেকে উদ্ধারের জন্য তার মা দুই দফায় ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা দেয় অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের। পরে সোনারগাঁ থানা পুলিশের সহায়তায় তার ছেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পঙ্কজ কান্তি সরকার বলেন, চাইহলা মারমা নামে এক যুবককে অপহরণের ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে জড়িত ১০ জনকে সোনারগাঁ পৌরসভার গোয়ালদী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে অপহরণ মামলা হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার তদন্ত (ওসি) মো. মহসিন বলেন, মারমা উপজাতি যুবককে অপহরণের ঘটনায় একটি মামলা নেওয়া হয়েছে। অপহরণে জড়িত থাকার অপরাধে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: অপহরণ, গ্রেফতার, চাকমা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন