মুসলিম তরুণীকে আটকে রেখে টানা ১০ দিন ধরে ধর্ষণ করল গ্রামপ্রধান


ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলার উগ্র হিন্দুত্ববাদী ও পুন্ডরি কালা গ্রামের প্রধান সন্দীপ রাঠির এক কাশ্মীরি তরুণীকে টানা ১০ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, ৪ মাস আগে পুলিশি অভিযানের সময় তাকে নিরাপত্তার অজুহাতে রাঠির বাড়িতে রাখা হয়, সেখানেই এই নির্যাতন ঘটে।
ভুক্তভোগী সেই মুসলিম নারী জানান, পালিয়ে শ্বশুরবাড়ি ও আত্মীয়দের কাছে সাহায্য চাইলেও মামলা করতে পারেননি এবং পরে কাশ্মীরে ফিরে যান। দেড় মাস পার হলেও এখনো কোনো এফআইআর নেয়নি বিজেপি প্রশাসনের পুলিশি বাহিনী।
উল্লেখ্য উগ্র হিন্দুত্ববাদী সেই রাঠি তাকে ধর্ষণের পাশাপাশি দুবাইতে পাচারের পরিকল্পনাও করেছিল।
আইনজীবীর অভিযোগ, মামলাটি চাপা দিতে তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তবে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই ঘটনা প্রমাণ করে, ভারতে বিজেপি শাসনে মুসলিম বিদ্বেষ কী ভয়ংকর রূপ নিয়েছে এবং কীভাবে তা আজ আরও বেড়ে চলেছে। কথিত বিচার প্রক্রিয়ায় দোষীরা নামমাত্র শাস্তি পেলেও যে হিন্দুত্ববাদী মুসলিমবিদ্বেষ এই অপরাধের জন্ম দিয়েছে সেই বিষ আজও ভারতের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে আছে।
উগ্র হিন্দুত্ববাদ নামক ভয়ানক বিষ উপড়ে ফেলা এখন শুধু দাবি নয় বরং অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ যদি উপমহাদেশের মুসলিমদের বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়, তাহলে সবার আগে এই উগ্র হিন্দুত্ববাদ ও তাদের অনুসারীদের সমুলে উৎখাত করতে হবে।
















