বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী পাহাড়ে সাগরে জঙ্গলে গুহায় যেখানেই থাকুক সেখানেই ধ্বংস করতে হবে : মেহেদী হাসান পলাশ


রাষ্ট্রের সকল সুবিধা কেবলমাত্র শান্তিপ্রিয় মানুষের জন্য নিশ্চিত করতে হবে।বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী পাহাড়ে সাগরে জঙ্গলে গুহায় যেখানেই থাকুক সেখানেই ধ্বংস করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্যনিউজের সম্পাদক ও সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান পলাশ।
৮ অক্টোব সকালে রাওয়া’র আলোচনা সভায় তিনি বলেন, এখানে একজন বক্তা আধিপত্যবাদী মনোভাব দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন। এ আধিপত্যবাদী মনোভাব কারা দেখাচ্ছে। শান্তিচুক্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর দ্বারা ৫৪ শতাংশ বাঙালিদের অস্বীকার করা হয়েছে।
বুধবার রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস ওয়েলফের অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) হেলমেট হলে আয়োজিত ‘সমস্যা সংকুল পার্বত্য চট্টগ্রাম: শান্তির অন্বেষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা নিয়ে যখন কথা বলি, তখন এটাকে শুধুমাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা হিসেবে দেখা হয়। সেন্টমার্টিনে কিছু হলে সারাদেশ থেকে আমরা কথা বলি। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা যদি বাংলাদেশের সমস্যা হিসেবে দেখা হতো, তাহলে ১৮ কোটি মানুষ এই সমস্যা নিয়ে কথা বলত। রোহিঙ্গা সংকট যেমন কক্সবাজারের সমস্যা নয়, সমগ্র বাংলাদেশের সমস্যা। তেমনি পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাও পুরো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে। এই সমস্যা নিরসনে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করতে হলে সন্ত্রাস দমনে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। পাহাড় কিংবা জঙ্গল, সাগর কিংবা সমতলের গুহায় যেখানেই অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত তাদেরকে সেখানেই ধংস করতে হবে। রাষ্ট্রের সকল সুবিধা কেবলমাত্র শান্তিপ্রিয় মানুষের জন্য নিশ্চিত করতে হবে।

















