স্টাফ রিপোর্টার:
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা বলেছেন, সবার সমন্বিত উদ্যোগে অবশ্যই স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিশুদের উন্নয়নে কাজের একটি গ্রহণযোগ্য ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। তিনি বলেন, শিশু সুরক্ষায় রাষ্ট্র ও সমাজের সকল স্তরের ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের শিক্ষার মূল স্রোত ধারার সাথে সম্পৃক্ততা দেশে বেশি প্রয়োজন। তিনি পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া সকল শিশুদের সুরক্ষার উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।
বুধবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইউনিসেফের সহযোগিতায় সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প (আইসিডিপি)’র আয়োজনে রাঙামাটিতে তিন পার্বত্য জেলার বটম আপ প্ল্যানিং বিষয়ক রিফ্রেসার্স দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বৃষকেতু চাকমা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনসটিটিউট এর উপ-পরিচালক শামীম ফারুক, অতিরিক্ত সচিব (প্রশিক্ষণ) একরামুল হক, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন, ইউনিসেফের কর্মকর্তা মং ইয়াই, সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প (আইসিডিপি)’র পিএম জানে ই আলম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, এ ধরনের কর্মশালায় তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব আরো বেশী করে বাড়াতে পারলে বার্তাগুলো দ্রুত দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব।
কর্মশালায় স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কমিউনিটি ক্ষমতায়ন, এলসিবিসিই এর উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন পদ্ধতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল), শিশু অধিকার সনদ এবং শিশু সুরক্ষা আইনসমূহ, শিশুর কার্যক্রমের ভালো ফলাফল অর্জনে ওয়ার্ড সভায় পাড়া সেন্টার পাড়া প্রতিনিধির ভূমিকা ও কার্যাবলি , উর্ধ্বমুখী পরিবার শিশু সংশ্লিষ্ট বিষয় অন্তর্ভুক্তিকরণ, দাপ্তরিক, কমিউনিটি তথ্য প্রবাহ পদ্ধতি, এল ৩ এম ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতা বিশ্লেষণ ও খাতওয়ারী কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়নে কমিউনিটি কর্তৃক উল্লেখিত ইস্যুসমূহ নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
কর্মশালায় জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য, রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ অংশগ্রহণ করেন।
