খাগড়াছড়িতে সপ্তাহব্যাপী শুরু হচ্ছে এসএমই পণ্য মেলা

fec-image

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়িতে শুরু হ্েছ আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা। ঐ দিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ৩ মার্চ খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এ মেলা।

সোমবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি তথ্য জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপিসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এ উপলক্ষে ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হবে। ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি মেলার শুভ উদ্বোধন করবেন। মেলায় স্থানীয় ও আঞ্চলিক উদ্যোক্তাদের কমপক্ষে ৫০টি স্টল থাকবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান (এসএমই) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এস এম ই একটি শ্রমনিবিড়, স্বল্প পুঁজিনির্ভর ও উৎপাদন সময়কাল স্বল্প হওয়ায় জাতীয় আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই অবদান রাখতে সক্ষম। বাংলাদেশকে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির দেশে পরিনত করার ক্ষেত্রে এসএমই বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশে কুটিরশিল্পসহ প্রায় ৭৮ লাখ অতিক্ষুদ্র (মাইক্রো), ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে “এসএমই নীতিমালা ২০১৯” অনুমোদন দেয়া হয়েছে। উক্ত নীতিমালায় সরকারের উন্নয়ন রূপল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষে ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিপিডি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশে উন্নীতকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসএমই ফাউন্ডেশন মাইক্রো, ক্ষৃদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নে বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ সকল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফাউন্ডেশন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা কতৃক উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সংযোগ স্থাপনের লক্ষে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা আয়োজন করে থাকে।

জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে এ সব মেলা আয়োজনের মাধ্যমে এসএসই পণ্যের ব্যাপক পরিচিতির পাশাপাশি উৎপাদক, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপিত হয়। এসএমই পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হয় এবং শিল্পায়নের বিকাশের সাথে সাথে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা কতৃক উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার বিক্রয় এবং বাজার সম্প্রসারণ। এসএমই উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, যোগাযোগ এবং সেতুবন্ধন তৈরিতে সহায়তা করা। এসএমই উদ্যোক্তা এবং ভোক্তাদের মাঝে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপন। পন্য উৎপাদন ও সেবা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভোক্তাসহ বিভিন্ন মহলের সৃজনশীল মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করাই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য বলে জানান, জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eight − six =

আরও পড়ুন