parbattanews

সভাপতি হিসেবে যেসব সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের সমমানের প্রটোকল ও সুবিধা পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে রয়েছে—

জাতিসংঘের সদরদফতরে স্থায়ী অফিস:
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের মূল ভবনে তার জন্য একটি বিশেষায়িত ও সুসজ্জিত অফিস এবং নিজস্ব কূটনৈতিক স্টাফ বা সচিবালয় থাকবে।

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আবাসন:
নিউ ইয়র্কে অবস্থানকালীন সময়ে তিনি জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ স্তরের প্রটোকল, কূটনৈতিক গাড়ি এবং সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন।

বিশ্ব সফর:
দায়িত্ব পালনকালে তিনি জাতিসংঘের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন এবং সেখানে রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদায় ভূষিত হবেন।

প্রসঙ্গত, এটি জাতিসংঘের একটি অনারারি বা সম্মানসূচক রাজনৈতিক পদ। সভাপতি যেহেতু কোনও একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন, তাই তার মূল বেতন, সুযোগ-সুবিধা ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায়ভার সাধারণত তার নিজের দেশ (এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার) বহন করে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে ৪০ বছর আগে বাংলাদেশের হয়ে এই গৌরব এনেছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। তার সেই সভাপতিত্বের সময়েই জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষা সরকারিভাবে ব্যবহারের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল এবং তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিশ্ব রাজনীতিতে তৎকালীন শীতল যুদ্ধের আবহের মধ্যেও সফলভাবে অধিবেশন পরিচালনা করেছিলেন।

Exit mobile version