সীমান্ত এলাকায় মাইকিং, মোতায়েন হচ্ছে আনসারও


ভারতীয় বিএসএফের পুশ ইন ঠেকাতে এরই মধ্যে বাংলাদেশের ২৬ জেলার সীমান্তে ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে একসঙ্গে এত বিজিবি সদস্য এসব সীমান্তে দায়িত্ব পালন করতেন না। বিজিবির পাশাপাশি এখন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও সীমান্তবর্তী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীও সতর্কতামূলক অবস্থানে রয়েছে। পুশ ইনসহ অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে কিছু সীমান্ত এলাকায় মাইকিংসহ জনসচেতনতামূলক সভাও করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়বে, আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন সহজ হবে এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি সমন্বিত ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিজিবির সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে সীমান্তবর্তী ১১টি জেলায় উপজেলা ও থানা পর্যায়ের আনসার ও ভিডিপি/টিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, সিলেট, জামালপুর ও খাগড়াছড়ি।
দেশের যেসব জেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, সেসব সীমান্ত এলাকার প্রায় সব কটিতেই টহল জোরদার করেছে বিজিবি।















