মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিশ্চিত করনে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় দেশে ২৬ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী মাঠ পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচীর পাশাপাশি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ১৯৮৭ সাল থেকে কাজ করে আসছে৷ তারই ধারাবাহিকতায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেশে ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকে এই রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনায় নিজেদের সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়া স্বাস্থ্য সহকারীরা কাজ করে আসছে৷
আক্রান্তের শুরুতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আগত প্রবাসীদের তালিকা তৈরি ও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে উদ্বুদ্ধকরন ও পরামর্শ প্রদান করা, নির্ধারিত ওয়ার্ডের জনগণকে করোনাভাইরাস(কোভিড-১৯)সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা৷ দায়িত্বরত ওয়ার্ডে স্ব স্ব উপজেলা/ইউনিয়নের বাইর থেকে আগত ব্যক্তিদের তালিকা প্রনয়ন ও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করাতে পরামর্শ প্রদান করা, সন্দেহজনক আক্রান্তদের তালিকা তৈরি করা ও নমুনা সংগ্রহের জন্য উপজেলা মেডিকেল টিমকে সহযোগিতা করা৷
লকডাউনে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা৷ দেশব্যাপী এই কাজগুলো স্বাস্থ্য সহকারীরা পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই করে আসছে।
স্বাস্থ্য সহকারী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে স্বমন্বয়ক শেখ রবিউল আলম খোকন বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় কাজ করার জন্য দেশের ২৬হাজার স্বাস্থ্য সহকারীদের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে৷
কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও কক্সবাজার জেলা স্বাস্থ্য সহকারী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন বলেন, রোগ যে কারোরই হতে পারে, এই ভাইরাসে আমি, আপনি যে কেউ আক্রান্ত হতে পারি। হতে পারে আমার আপনার পরিবারের যে কেউ৷ আমরা দেশের জনগণের জন্যই মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি।
আসুন অবহেলা নয় আর, সচেতন হই আমরা, সচেতন করি আশে পাশের লোকজনকে, ঘরে থাকি, সুস্থ থাকি৷ বাইরের কেউ আসলে দ্রুত সময়ে প্রশাসনকে অবহিত করি, বিনা প্রয়োজনে বাইরে ঘোরাফেরা বন্ধ করি৷ সরকারি নির্দেশনা মেনে চলি৷
