সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে পর্যটকবাহী জাহাজ বিকল, ৭২ জন পর্যটক উদ্ধার

fec-image

সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে পর্যটকবাহী জাহাজ সাগরে বিকল হয়েছে। এতে পর্পযটকদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে ওই পর্যটক জাহাজটি যাত্রীসহ কক্সবাজারের টেকনাফের কচ্ছপিয়া এলাকার মেরিন ড্রাইভ সমুদ্র সৈকতে ভিড়তে সক্ষম হয়েছে। খবর পয়ে বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ টিম ৭২ জন পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন গ্রিন লাইন জাহাজের ম্যানেজার মো. সুলতান আহমদ।

তিনি বলেন,বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টার দিকে সেন্টমার্টিন থেকে ৭২ জন পর্যটক নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা করেন গ্রিন লাইন জাহাজ । প্রায় আড়াই ঘণ্টা জাহাজ চালানোর পর হঠাৎ করে সাগরের ঢেউের পানি পড়ে বৈদ্যুতিক সমস্যায় যান্ত্রিক ত্রুটি সৃষ্টি হয়।

পরে জাহাজটি কক্সবাজার উদ্দেশ্যে রওনা না করে কোন রকম মেরিন ড্রাইভের সমুদ্র সৈকতে পর্যটক সহ জাহাজ টা ভিড়তে পেরেছে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে বিজিবি, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশের টিম ও টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সহ গ্রিন লাইন জাহাজের কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। যে-সব পর্যটক রয়েছে তাদের নিদিষ্ট গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এদিকে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি জানিয়েছ, যৌথ বাহিনী সম্মিলিত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে টেকনাফে দুর্ঘটনায় পতিত পর্যটকবাহী জাহাজ হতে ৭২ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেছে।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. সিয়াম-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গতকাল ২৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪ টায় পর্যটকবাহী জাহাজ “এম ভি গ্রিন লাইন” সেন্টমার্টিন হতে ৭২ জন পর্যটক নিয়ে কক্সবাজার এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। উত্তাল সমুদ্রে জাহাজটির জেনারেটরে পানি প্রবেশ করে শর্ট সার্কিট হয়ে জেনারেটর বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় জাহাজটি টেকনাফের বাহাড়ছড়ার কচ্ছপিয়া নামক স্থানে চরে আটকে যায়। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট বাহাড়ছড়া এবং স্টেশন টেকনাফের দুইটি উদ্ধারকারী দল তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সাথে সম্মিলিতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। রাত ১০ টার মধ্যে যৌথ বাহিনী উক্ত জাহাজ হতে সকল যাত্রীদের নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও বলেন, এসময় কোস্টগার্ড উদ্ধারকারী দল আহত পর্যটকদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন