parbattanews

‘সড়ক ভাঙা’র নামে সিএনজি চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: যাত্রীরা অতিষ্ঠ

ফাইল ছবি

উখিয়ায় সিএনজির ভাড়া নিয়ে হয়রানি ও নৈরাজ্য চলছে অনেক দিন থেকেই। নির্ধারিত পরিমাণের উপরে ভাড়া দাবি করছে উখিয়ার সচরাচর সিএনজি চালকরা। এ নিয়ে অতিষ্ঠ জনসাধারণ।

উল্লেখ্য, পূর্বেও নির্ধারণকৃত ভাড়ার উপরে সিএনজি চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও নানা হয়রানির অভিযোগ তুলেছিল সাধারণ যাত্রী ও আমজনতা। পরবর্তীতে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন জায়গায় সমালোচনার ঝড় বয়ে গেলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত ও মার্জিত ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

কিন্তু এর পরপরই ওই নিয়ম ভঙ্গ ও সংশ্লিষ্টদের তোয়াক্কা না করে সিএনজি চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেই চলেছেন। বাধ্য যাত্রী, শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী ও সাধারণ মানুষজন চালকের দাবিকৃত ভাড়ায় গন্তব্যে পৌঁছায়।

এদিকে থাইংখালী থেকে উখিয়ার নির্ধারিত ভাড়া ৩০ টাকা হলেও ৬০ টাকা দাবি করেছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ। রিজার্ভ সিএনজিতে উখিয়া থেকে কোর্টবাজার ১০০’র চেয়ে বেশি ভাড়া দাবি করছে বলেও জানাগেছে। বালুখালী, কতুপালং সহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে সিএনজি চালকরা অভিমত ব্যক্ত করেন, সড়কে ব্যাপক ভাঙ্গা ও গর্ত থাকায় চালকসহ তার গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার বিরূপ সম্ভাবনা এবং প্রভাব পড়ে থাকে বলে তাদের অভিমত।

নির্ধারিত ৩০ টাকার ভাড়ায় ৬০ টাকা দাবির প্রসঙ্গে কয়েকজন চালক জানায়, একজনের দেখায় আরেকজন এমন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবেই নিজেদের মতো চালকরা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে বলে সাধারণ যাত্রীদের অভিযোগ।

এ বিষয়ে থাইংখালী সিএনজি সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন,” নির্ধারিত ভাড়া ৩০ টাকা করে নেওয়ার বিষয়ে চালকদের অবহিত করা হয়েছে। এখন সড়কের ভাঙ্গা ও গর্ত থাকায় চালকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এটা বিবেচনা করে আমি যাত্রীদের নিয়মের বাইরে ১০ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু ৩০ টাকার জায়গায় ৫০-৬০ টাকা ভাড়া দাবি করলে অন্যায় ও জুলুম হয়। নিয়মের বাইরে ও অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করার অভিযোগ পেলে চালকের বিরুদ্ধে জরিমানা সহ সাত দিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।”

পালংখালীর চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,”আমি মনে করি শ্রমিকরা সমিতি করার কারণে সেখানে বিভিন্ন কুচক্রী মহল জড়িত থেকে জনগণের মধ্যে হয়রানির সৃষ্টি করছে। জনগণকে অন্যায়ভাবে ও জোরপূর্বক ভাড়া আদায় করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এই জনদুর্ভোগ নিরসন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Exit mobile version