parbattanews

১৯ দিন পর দেশে ফিরল ১৫০ অভিবাসী

cox1

স্টাফ রিপোর্টার:
মিয়ানমার সীমান্ত উপকূলে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ১৫০ বাংলাদেশি অভিবাসীকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সোমবার দুপুরে এক পতাকা বৈঠক শেষে তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হয়।

সকালে বিজিবি’র ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের প্রবেশ করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতুর বিপরীতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঢেকিবনিয়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের সাথে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়ান কমান্ডার লেঃ কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম। মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মংডু ইমিগ্রেশন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর স্য নেয়ই। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও ইমিগ্রেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোঃ খালেকুজ্জামান ও মিয়ানমারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের উপ-মহা পরিচালক Nay Pyi Taw পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে ১৫০ অভিবাসীকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিজিবি ঘুমধুম পয়েন্ট দিয়ে তাদের বাসযোগে বিকেল ২টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসে। এরপর তাদেরকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনা হয়। পরে স্কুল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের গ্রহণ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

অনুষ্ঠানে বিজিবি’র কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, ১৫০ অভিবাসীদের মধ্যে কক্সবাজার জেলার ২৯, নরসিংদীর ৫৬, ঝিনাইদহ’র ১২, টাঙ্গাইলের ৩, চট্টগ্রামের ৮, চুয়াডাঙ্গার ৪, নারায়ংগঞ্জের ৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬, বান্দরবানের ৯, কুমিল্লার ১, চাঁদপুরের ১, রাজবাড়ীর ২, যশোরের ২, পাবনার ৫, বাগেরহাটের ৪, হবিগঞ্জের ১ ও নাটোরের ১ জন।

গত ২১ মে মিয়ানমারের জলসীমায় ভাসমান অবস্থায় ২০৮ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছিল মিয়ানমারের নৌবাহিনী। সম্প্রতি মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ২০০ জনের একটি তালিকা পাঠানো হয়। তালিকাটি যাচাই বাছাই করে ১৫০ জনকে বাংলাদেশী নাগরিক হিসাবে সনাক্ত করা হয়।

Exit mobile version