লক্ষীছড়ি প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষীছড়ির মহিষকাটা থেকে নিখোঁজ লালমিয়ার সন্ধান পাওয়া গেছে। ঘটনার ২৩দিন পর শুক্রবার সকালে সে বাইন্যাছোলা সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে এসে হাজির হয়। স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিল বলে স্বীকার করে লালমিয়া।
বিকেলে লক্ষীছড়ি থানায় লালমিয়াকে হাজির করার পর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ভূমি নিয়ে যাদের সাথে বিরোধ সে সকল প্রতিবেশিদের সাথে মিলিয়ে দেয়া হয়।
এসময় বাইন্যাছোলা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট নাফিস, ভাইস চেয়ারম্যান অংগ্য প্রু মারমা, বেলাল হোসেন, ফোরকান হাওলাদার, লেলিন কুমার চাকমা, আব্দুল ওহাব খন্দকার, আব্দুল মাজেদ গাজিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে পরান সাঁওতাল, বিধান সাঁওতাল, চেয়া মারমা, লালবাবু এবং লালমিয়ার পরিবারের সাথে সকল বিরোধ মিমাংসা করে দেন।
উল্লেখ্য উপজাতীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার ঘটনা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর ১৩ আগস্ট বিকেলে লক্ষীছড়ির মহিষকাটা স্থানীয় বাজার এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় লালমিয়া। পরে বিভিন্নভাবে বার বার আল্টিমেটাম দিয়েও লালমিয়াকে খুঁজে বের করা যায় নি। পরে লালমিয়ার পরিবারের পক্ষ হতে থানায় নিখোঁজ বিষয়ে সাধারণ ডাইরি রেকর্ড করা হয়। লালমিয়া সকলকে জানান, বার বার যখন মোবাইলে প্রানণাশের হুমকি দিয়ে আসছিল, আমি প্রাণের ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলাম।