parbattanews

ইন্দোনেশিয়া উপকূলে ডুবন্ত নৌকা থেকে আটশ’ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা উদ্ধার

109137_1
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইন্দোনেশিয়ার আচেহ উপকূলে গিয়ে ডুবতে বসা এক নৌকা থেকে ফের ৮শ’র কাছাকাছি অবৈধ অভিবাসীকে উদ্ধার কর হয়েছে। তারা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নাগরিক বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে সুমাত্রার পূর্ব উপকূলের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে যান।

আচেহ প্রদেশের পূর্ব উপকূলীয় লাংসা শহরের পুলিশ প্রধান সুনারিয়া এএফপিকে জানান, প্রাথমিক খবরে তারা জেনেছেন নৌকাটির গন্তব্য ছিল মালয়েশিয়া। কিন্তু মালয়েশিয়ার নৌবাহিনী ধাওয়া করে নৌকাটিকে ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় ঠেলে দেয়।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ জলসীমায় নৌকাটি পৌঁছার পর একপর্যায়ে তা ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়। এসময় স্থানীয় জেলেরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে শহরের একটি ওয়্যারহাউজে নিয়ে যায়।

সুনারিয়ায় জানান, জেলেরা তাদের ৬টি নৌকায় করে অভিবাসীদের লাংসা শহরে নিয়ে আসে।

তবে আচেহর লাংসা শহরের ত্রাণ ও উদ্ধার বিভাগের কর্মকর্তা খাইরুল নোভা বলেন, ‘সর্বশেষ যে খবর আমরা পেয়েছি, তাতে ওই নৌকায় ৭৯৪ জন ছিল। তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে বন্দর সংলগ্ন একটি ওয়্যারহাউজে রাখা হয়েছে।’

নোভা বলেন, থাইল্যান্ড হচ্ছে এই রুটে মানব পাচারের প্রথম যাত্রা বিরতির স্থান। কিন্তু দেশটিতে পাচার বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর সেখানে ভিড়তে পারছে না পাচারকারীরা। ফলে মাঝ সমুদ্রেই অসুস্থ ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় অভিবাসীদের ফেলে চলে যাচ্ছে তারা।

লাংসা শহরের পুলিশ প্রধান সুনারিয়াকে উদ্ধৃত করে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন জানিয়েছে, নৌকাটিরে গন্তব্য ছিল মালয়েশিয়া। কিন্তু সে দেশের নৌবাহিনী নৌকাটিকে ইন্দোনেশিয়ার জলসীমার দিকে ঠেলে দেয়।

আচেহ উপকূলে পৌঁছানোর পর নৌকাটি ডুবতে শুরু করলে স্থানীয় জেলেরা এগিয়ে যান এবং আরোহীদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন বলে সুনারিয়া জানান।

মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন লিখেছে, নৌবাহিনীর টহল নৌযান বুধবার পেনাং ও লাংকাওয়ি উপকূল থেকে এ রকম দুটি নৌকাকে গভীর সাগরের দিকে ঠেলে দিয়েছে। দ্বিতীয় নৌকাটিও ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় কোথাও রয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের ধারণা।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

Exit mobile version