parbattanews

উত্তরায় উদ্ধারকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত করছে সেনাবাহিনী

রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর উদ্ধার অভিযানকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল ২১ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে সংঘটিত দুর্ঘটনায় শিশুসহ একাধিক নিরীহ নাগরিক হতাহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকটবর্তী ক্যাম্প থেকে সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

তবে, উদ্ধার কার্যক্রম চলাকালে ঘটনাস্থলে ব্যাপকসংখ্যক উৎসুক জনতার ভিড় সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী ও মাইলস্টোন স্কুলের স্বেচ্ছাসেবকরা বারবার অনুরোধ জানালেও অনেকেই স্থান ত্যাগ না করায় ইভাকুয়েশন ও রেসকিউ কার্যক্রম বারবার ব্যাহত হয়। এতে আহতদের দ্রুত সরিয়ে নিতে সমস্যা হয় এবং প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ে।

আইএসপিআর জানায়, সেনাবাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযানে অংশ নেওয়া ১৪ জন সেনাসদস্য ধোঁয়াজনিত অসুস্থতা ও ক্লান্তিতে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিকালের দিকে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু উৎসুক জনতা ঘটনাস্থল ত্যাগ না করায় উদ্ধারকাজে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে জনতার একটি অংশের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও বাদানুবাদ হয়, যা এক পর্যায়ে একটি অনভিপ্রেত ঘটনার জন্ম দেয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সেনাবাহিনী আরও জানায়, তারা সবসময় জনগণের পাশে থেকে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সেই অঙ্গীকার বজায় রাখবে।

Exit mobile version