ইরানের ভূপাতিত করা একটি মার্কিন ড্রোনের জবাবে দেশটির রাডার ব্যবস্থা ও ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে ‘আত্মরক্ষামূলক’ বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপে এ হামলা পরিচালিত হয়।
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, তেহরানের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের’ প্রতিক্রিয়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় পরিচালিত একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ইরান গুলি করে ভূপাতিত করে। এর পরপরই মার্কিন যুদ্ধবিমান পাল্টা অভিযান চালিয়ে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন এবং দুটি ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন ধ্বংস করে।
সেন্টকম আরও জানিয়েছে, অভিযানে কোনো মার্কিন সেনা সদস্য হতাহত হননি।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এর আগের সপ্তাহেও দুই দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার তথ্যমতে, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একটি ড্রোন অপারেশনকে লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনী হামলা চালানোর পর ইরান পাল্টা একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করে।
সর্বশেষ এই হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি
