parbattanews

কিউআর কোড বিভ্রান্ত আর প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কবলে টমটম লাইসেন্স!

কক্সবাজারের টমটমের পেছনে লাইসেন্স প্লেইটের সাথে থাকা কিউআর কোডটি হলো এই লাইসেন্সের মালিকের বিস্তারিত। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো এই কিউআর কোডের বেশিরভাগই কাজ করেনা। শুধু তাই নয় বেশিরভাগ টমটম চালক জানেননা এই কিউ আর কোডের কাজ কি?

গল্প এখানে নয় এই কিউআর কোর্ড গাটতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে নানা অপকর্মের তথ্য।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই কিউ আর কোর্ড যুক্ত পৌরসভার লাইসেন্স প্লেইপেটর সংখ্যা ৪ হাজার হলেও শহরে বৈধ-অবৈধ মিলে টমটমের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। কিন্তু প্রত্যেক টমটমের পেছনে লাইসেন্সে রয়েছে কিউ আর কোর্ড। এতে প্রশ্ন আসে বাকী লাইসেন্স প্লেইটগুলো কোথা থেকে আসল? যার মাধ্যমে প্রমান হয় টমটমের অবৈধ লাইসেন্স বানিজ্যে বড় একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে।

পৌরসভার দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গত ৫ আগষ্টের আগে পৌরসভার লাইসেন্সভুক্ত টমটম ছিল ৩ হাজার। এর পরে আরো ১ হাজার টমটম লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অনুমোদন দেওয়া লাইসেন্সগুলো নিয়ে উঠছিল আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। এ নিয়ে শহরের গাড়ির মাঠ এলাকার জরিফ আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগের পাহাড়। অভিযোগ উঠেছিল জরিফ আলী গোপনে কর্তৃপক্ষকে হাত করে লাইসেন্স হাতিয়ে নিয়েছে। তার প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ টমটম চালক-মালিকরা করেছিল আন্দোলন। অভিযোগ উঠেছে জরিফ আলীর নাম্বার প্লেইটের কিউআর কোড ক্রটি আছে।

এ নিয়ে কক্সবাজার টমটম চালক শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আমানুল হক আমান বলেন, প্রভাবশালীর হাতে কেন লাইসেন্স যাবে? এসব পাওয়ার অধিকার রাখে দরিদ্র টমটম চালক। গরীবদের ঠকিয়ে এই লাইসেন্স নিয়ে দুর্নীতি আর সহ্য করা হবেনা।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মো: আদনান চৌধুরী  কিউআর কোডের ক্রটির কথা স্বীকার করে জানান, তথ্য-উপাত্ত ক্রুটি থাকায় অনেক কিউআর কাজ করছেনা। তবে সহজ-সুন্দর পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে আসছে সমাধান। এই ৪ হাজারের বাহিরে লাইসেন্স হবেনা এবং আপডেট হওয়া লাইসেন্সে কিউআর কোর্ড থাকবেনা। থাকবে মালিকের নাম সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

এতসব অনিয়মের ফলে যান চলাচলে রয়েছে বড় ভোগান্তি। এসব সমাধানের মাধ্যমে সুষ্টু যানচলাচল এখন সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে বলে জানান সচেতন মহল।

Exit mobile version