কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ডাকাত সন্দেহে আটক ৮ জেলেকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) আটকদের কুতুবদিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশ সৌপর্দ করলে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আটকদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। অপর আটক বোটের মালিক আমির হোসেন গণপিটুনির শিকার হয়ে কুতুবদিয়া হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
আটকরা হলেন, মো. জসীম উদ্দিন (৩০), তারেক (১৮), মকছুদ (৪৫), আবু তাহের (২৬), আলাউদ্দিন (২৪), আব্দুল ওয়াজেদ (১৮), শাহাদুল ইসলাম (১৮), আকাশ (১৮) ও আমির হোসেন (৩০)। আটকরা সবাই মহেশখালী উপজেলার মাতার বাড়ির বাসিন্দা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মো. জয়নাল আবেদিন জানান, শুক্রবার কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল খুদিয়ার টেক চ্যানেলে ডাকাতির প্রস্তুতির চেষ্টাকালে স্থানীয়রা সন্দেহভাজন ৯ ডাকাত আটক করে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ-নৌবাহিনীর একটি যৌথ টীম ঘটনাস্থলে যায়। এসময় দেশীয় কিছু অস্ত্রসহ বোট,জাল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়। আটকদের কয়েকজন গণপিটুনির শিকার হলে হাসপাতালে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। আমির হোসেন নামক একজন হাসপাতালে ভর্তি আছে। এব্যাপারে তাবালের চরের নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করেন। শনিবার আটকদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আটক আমির হোসেন ও তার বোন রাজিয়া বলেন, তারা ডাকাত নয়। আমির হোসেনের নতুন জাল কিনে নিজের বোটে শুক্রবার সাড়ে ১০টার দিকে খুদিয়ার টেক এলাকায় ফেলে। এসময় স্থানীয় নজরুল, নুরুল ইসলামসহ ২০-২৫ জন তাদেরকে ডাকাত সন্দেহে আটক করে দিন ভর মারধর করে রাতে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে সাজানো মামলা দিয়েছে।
