parbattanews

খাগড়াছড়িতে উদ্যোক্তা উদ্যোগ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে উদ্যোক্তা উদ্যোগ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল থেকে দিনব্যাপী খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষাগত উৎকর্ষতা সহায়তা কর্মসূচি (ইএসএস), মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (এসইডিপি) ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফ।
এ সময় অতিথিরা বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে হবে। আজকের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তাই আগামী দিনের উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবীন এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সিকদার। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রদর্শনীতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে ১৭টি প্রকল্প উপস্থাপন করেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষি উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সৃজনশীল সমাধানভিত্তিক উদ্ভাবনী ধারণা স্থান পায়।
দিনব্যাপী প্রদর্শনী ঘুরে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের প্রকল্পসমূহ পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণামূলক কাজ ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন এবং উদ্যোক্তা মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয় করা, নতুন নতুন উদ্ভাবনী ধারণাকে উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
Exit mobile version