parbattanews

গোলরক্ষকের বীরত্বে শক্তিশালী বেলজিয়ামকে রুখে দিলো ইরান

ছবি সংগৃহীত।

পুরো ম্যাচ জুড়ে বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণেও আধিপত্য বিস্তার করল বেলজিয়াম। কিন্তু গোলমুখে কার্যকর হতে পারলেন না রোমেলু লুকাকুরা। দুর্দান্ত সব সেভ করলেন আলিরেজা বেইরানভান্দ। বেলজিয়ানদের রুখে দিয়ে আরেকটি মূল্যবান পয়েন্ট আদায় করে নিল ইরান। ম্যাচে মোট সাতটি সেভ করেন ইরান গোলরক্ষক।

আরো একবার জয়হীন মাঠ ছাড়তে হয়েছে রোমেলু লুকাকুদের। বেলজিয়ানদের রুখে দিয়ে মূল্যবান পয়েন্ট আদায় করে নিয়েছে ইরান।

রোববার ( ২১ জুন ) দিবাগত রাত ১ টায়  ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।

এ নিয়ে জি গ্রুপের মাঠে গড়ানো তিন ম্যাচের সবগুলোই ড্র হলো৷ কোনো দলই এখনো জয়ের মুখ দেখেনি। দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট যেখানে শীর্ষে আছে ইরান। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে বেলজিয়াম।

অপ্রতিরোধ্য ইরানকে দুর্ভেদ্য করে তুলেন গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। বেলজিয়ামের একের পর এক আক্রমণ সামলে যান তিনি। তাদের লক্ষ্যে রাখতে পারা ৭টি প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি।

অথচ ম্যাচের শুরুতেই আঘাত পান বেইরানভান্দ। কেভিন ডি ব্রুইনার ক্রসে লুকাকু স্লাইড করতে গেলে গোলপোস্টের কাছে ধাক্কা লাগে বেইরানভান্দের সাথে। তাতে কিছুক্ষণ বন্ধও থাকে খেলা।

চিকিৎসা নিয়ে আবার খেলা চালিয়ে যান ৩৩ বছর বয়সী বেইরানভান্দ। আর হয়ে উঠেন ইরানের নায়ক। অন্যদিকে ৭০ শতাংশ বল দখলে রেখে ২৩টি শট নিয়েও বেলজিয়াম বেইরানভান্দের কাছে আটকে যায়।

অবশ্য ম্যাচের শেষ ভাগ বেলজিয়ামকে খেলতে হয়েছে ১০ জন নিয়ে। ৬৬ মিনিটে মেহদি তারেমির জার্সি টেনে ধরে বেলজিয়ান ডিফেন্ডার নাথান এনগয় সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

বেলজিয়াম বারবার আক্রমণে উঠলেও, প্রতিপক্ষের রক্ষণে খেই হারিয়ে ফেলছিল তারা। বিপরীতে থিবু কর্তোয়াও ছিলেন উজ্জ্বল। ইরানের বেশ কয়েকটি আক্রমণ আটকে দিয়েছেন তিনিও।

২৫ মিনিটে অবশ্য তাকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তারেমি, উল্লাসে মাতে ইরান শিবির। কিন্তু একটু পর ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। বাতিল হয় গোল।

অন্যদিকে ডি ব্রুইনা, লুকাকু আর ডি কাইপারকে বারবার হতাশ করে যান বেইরানভান্দ। এমতাবস্থায় কেউ আর গোলের দেখা পায়নি৷ বিনা উদযাপনে শেষ হয় লড়াই।

শেষ রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার সকালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বেলজিয়াম, একই সময়ে ইরান মুখোমুখি হবে মিসরের। ইরানের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি।

কখনো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি এশিয়ান এ দলটি। এবার সেই সম্ভাবনা বেশ ভালোভাবেই টিকিয়ে রেখেছে তারা।

Exit mobile version