নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবা অব্যাহত রাখতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পরিসংখ্যান কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের নিয়ের্দেশনা মোতাবেক এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ পত্র জারি করা হয়। এখন থেকে অনুপস্থিত ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের পরিবর্তে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা রিমন রুদ্রকে দায়িত্ব পালন করবেন।
১৮ আগস্ট রোববার দুপুরে এ অফিস আদেশ পত্র জারি করা হয়।
সূত্রে মতে, ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের অফিস কক্ষে গত দেড় মাস ধরে তালা ঝুলতে দেখতে পান এলাকাবাসী। এর ফলে বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন ইউনিয়নবাসী।
স্থানীয় সমাজ সেবক রহিম উদ্দিন, জলিলুর রহমান ও হামিদুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে আছেন।
তারা আরও জানান, এ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঘুমধুমের আলোচিত রতন হত্যার ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় জি,আর- ৪৮/২৪ মামলা দায়ের করেন এক সংখ্যালঘু বড়ুয়া পরিবার। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ভোটার করার অভিযোগও রয়েছে। যা নিয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয় তার বিরুদ্ধে।
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন মেম্বার জানান, চেয়ারম্যান একটি হত্যা মামলায় পলাতক। তবে তারা আশা করছেন, মামলাটি আইনি মোকাবিলা করে চেয়ারম্যান শীঘ্রই পরিষদে যোগদান করবেন।
এ বিষয়ে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
