শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের রসুলাবাদ এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়দের সহায়তায় তিন ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণা ওই এলাকার আবদুল মালেকের কন্যা।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে আবদুল মালেক তাঁর স্ত্রী লাকি আক্তার (৩১), হাসনাতুল জন্নাত ঝর্ণা (১৩), জেরিন মনি (৯) ও শাওরিন মনিকে (৭) নিয়ে একটি ডিঙি নৌকা যোগে নিরাপদ আশ্রয়ে যাচ্ছিল। এ সময় ডিঙি নৌকাটা ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়লে সেটি ডুবে যায়। ঘটনার পর আবদুল মালেক ও তাঁর স্ত্রী লাকি আক্তার, কন্যা জেরিন মনি ও শাওরিন মনিকে নিয়ে কোন রকম সাঁতরে উঠতে পারলেও ঝর্ণা পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়।
চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা দিদারুল হক বলেন, বন্যার পানিতে নৌকা ডুবে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুর ২টার দিকে ঝর্ণার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল আনা হয়। নিখোঁজ কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
