parbattanews

চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে মোটর সাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার: চোরাইকৃত মোটর সাইকেল উদ্ধার

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোটর সাইকেল চোর চক্রের অন্যতম দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ধৃত চোর চক্রের সদস্যরা হলেন, মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা এলাকার শফিউল আলমের পুত্র মো. জমির উদ্দিন(২৭) ও রামু উপজেলার ঈদগড় বড়বিল সিকদারপাড়া এলাকার ছিদ্দিক কামালের পুত্র মো. মোর্শেদ কামাল (২৫)।

মঙ্গলবার ভোর রাতে থানা পুলিশের একটি টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মহেশখালী ও রামু ঈদগড় এলাকা থেকে তাদেরকে পৃথক ভাবে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ধৃত চোর চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে পুলিশ একটি চোরাইকৃত মোটর সাইকেলও উদ্ধার করেন।

পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, চকরিয়া সদর ও তার পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের একটি সিন্ডিকেট ও তার সদস্যরা অভিনব কায়দা অবলম্বন করে মোটরসাইকেল চুরি করে আসছে।

সম্প্রতি সময়ে বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল চুরি হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোররাতে থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান ও উপপরিদর্শক(এস আই)মো. আলমগীরের নেতৃত্বে সংঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে একটি টীম অভিযান চালায়। অভিযানকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্য জমির উদ্দিন ও মোর্শেদ কামালকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযানে যাওয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মহেশখালীর জমির স্বীকার করেছেন, চকরিয়া থেকে মোটর সাইকেল চুরি করে রামুর উপজেলার ঈদগড় ও মহেশখালীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এসব স্থান থেকে চোরাইকৃত মোটর সাইকেলগুলি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়। তবে মোটর সাইকেল চোর চক্রের সদস্য জমির ও মোর্শেদের মাধ্যমে তাদের পুরো সিন্ডিকেট চক্রের পরিচয় সনাক্ত করতে তাদেরকে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড চেয়ে আবেদনসহ পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই মোটর সাইকেল চোর চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ধৃত চোর চক্রের সদস্য দুইজনকে বুধবার দুপুরে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, চোর চক্রের সদস্যদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মোটরসাইকেল চোরে আরো কারা কারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

Exit mobile version