parbattanews

চকরিয়ায় সেতু নির্মাণ ও ছড়াখাল পরির্দশন করলেন এমপি ইলিয়াছ

chakaria-m-p-elias-pic-8-12-16

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নে নির্মাণাধীন সেতু, সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি এবং চাষের জন্য সেচ সুবিধা নিশ্চিত ছড়াখালের পানি চলাচল পরির্দশন করেছেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ। বুধবার সকালে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন এসব উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনকালে এমপির সাথে উপস্থিত ছিলেন সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান ও মাতামুহুরী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিন বাবুল, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন, চকরিয়া পৌরসভা জাতীয় পার্টির সভাপতি জসীম উদ্দিন কমিশনার, মাতামুহুরী উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা মৌলভী ছিদ্দিক আহমদ, ঠিকাদার আবদুল হাকিম, এমপির সহকারি মো.নাজিম উদ্দিনসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য ও এলাকার সুধীজন।

সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল বলেন, ইতোমধ্যে চকরিয়া উপজেলা এলজিইডি, প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের আওয়তায় ইউনিয়নের একাধিক এলাকায় সেতু, সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে।

বুধবার চলমান এসব উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি সরেজমিন পরির্দশন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। পরির্দশনকালে সংসদ সদস্য উন্নয়ন কাজের স্বচ্ছতা ও টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। সেতু ও সড়ক নির্মাণের ফলে ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা আগামীতে উন্নত হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন ইউপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি স্থানীয় উমখালীস্থ পুরইনমারা ছড়াখালের অবস্থা পরিদর্শন করেন এমপি। এ সময় তিনি কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিতে পানি চলাচল নিবিঘ্ন করতে খালটি খননের ব্যপারে গুরুত্বারোপ করেন।

সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোন এলাকাটি দুর্গম। অপরদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক হওয়ার কারনে কোন ঘটনা ঘটলে প্রশাসনের লোকজন তাৎক্ষনিক সেখানে যেতে পারে না। এ জন্য সাহারবিল ইউনিয়নের উমখালী থেকে পালাকাটা রাবার ড্যাম এলাকায় বেড়িবাঁধের ওপর একটি সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। যাতে প্রশাসনের লোকজন সড়কটি দিয়ে দ্রুত সময়ে চিংড়িজোনে অপরাধ দমনে যেতে পারে। পাশাপাশি সড়কে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চলমান এসব উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলে সাহারবিল ইউনিয়ন তথা উপজেলার চিংড়িজোনটি প্রশাসনের একেবারে নাগালে চলে আসবে। এতে জনগনের পাশাপাশি চিংড়িজোনের ঘের মালিক-চাষীরা উপকৃত হবে।

Exit mobile version