parbattanews

চীনের তরুণ গবেষকদের অসাধারণ প্রতিভা ও উদ্ভাবনী শক্তি

চীন একটি শক্তিশালী উদ্ভাবনী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে এবং এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তরুণ মেধাবীদের। এমনটিই মন্তব্য করেছেন ২০১১ সালের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ থমাস জে. সার্জেন্ট। সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ সিএমজিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। এসময় চীনের তরুণ গবেষকদের অসাধারণ প্রতিভার প্রশংসা করেন তিনি।

সার্জেন্ট তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, তিনি চীনের দুই তরুণ গবেষকের সঙ্গে একটি গবেষণাপত্র লিখছেন, যারা তার তুলনায় অনেক কম বয়সী হলেও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতায় অত্যন্ত এগিয়ে। তাদের কাজের গতি, বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং উদ্যম তাকে বিস্মিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, চীনের উদ্ভাবন কেবল হার্ডওয়্যার বা চিপসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি অ্যালগরিদম, গণিত, প্রকৌশল এবং মানব মেধার সম্মিলিত ফল। এই বহুমাত্রিক দক্ষতাই চীনকে একটি শক্তিশালী প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করছে।

চীনের উদ্ভাবনী সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন পরিসংখ্যানও উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালে দেশটির গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ব্যয় জিডিপির ২.৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা উন্নত অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক। এছাড়া, বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা প্রকাশিত ২০২৫ সালের গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে চীন ১৩৯টি অর্থনীতির মধ্যে ১০ম স্থান অর্জন করেছে। উচ্চমানের উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে দেশটির পারফরম্যান্স বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

সব মিলিয়ে বলা যায়, চীনের তরুণ গবেষকদের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং উদ্যম দেশটির উদ্ভাবনী অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চীন ভবিষ্যতে বৈশ্বিক উদ্ভাবনের শীর্ষস্থানীয় দেশ হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি

Exit mobile version