parbattanews

দেশে ফিরে ঈদ ও কবর জিয়ারত করতে চান রোহিঙ্গারা

১৪ মার্চ ২০২৫ : রোহিঙ্গাদের এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস : ছবি : সংগৃহীত

গত রমজানে (১৪ মার্চ ২০২৫) রোহিঙ্গাদের এক সমাবেশে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছিলেন, এই ঈদ না হোক, আগামী ঈদে রোহিঙ্গারা নিজেদের দেশে ঈদ করতে পারবেন। উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে তার প্রত্যাশার কথায় স্বস্তি আসে অনেকের মাঝে। রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘আল্লাহর কাছে দোয়া করি, সাম্মার বার যেন তোমরা নিজের বাড়িতে ঈদ করতে পারো।’

ড. ইউনূস আরও বলেছিলেন, ঈদে মানুষ আত্মীয়স্বজনের কবর জিয়ারত করে। রোহিঙ্গাদের সেই সুযোগ নেই। তাই তাদের দেশে ফেরাতে হলে প্রয়োজনে সারা বিশ্বের সঙ্গেই লড়তে হবে। লাখো রোহিঙ্গার উপস্থিতিতে আয়োজিত ওই ইফতার মাহফিলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, সেনাপ্রধানসহ দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টার এই আশাবাদে এখন আগামী ঈদ কবে আসবে, এজন্য দিন গুনতে শুরু করেছেন শরনার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা। তারা বলছেন, আমরা আমাদের ভিটায় ফিরে যাব, আপনজনদের কবর জিয়ারত করব। এদিকে ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ২০ মার্চ (শুক্রবার) এমনটাই জানানো হয়েছে অ্যারাবিয়ান বিজনেসের প্রতিবেদনে।

২০২৬ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখও জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদরা। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) থেকে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সূর্যাস্তের সময় নতুন চাঁদ দেখার অনুকূল সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ওই রাতে চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন থেকেই রোজা শুরু হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে,‘শাবান মাসের ২৯ তারিখে সূর্যাস্তের সময় চাঁদের অবস্থান অনুকূল থাকবে। তাই ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রমজান শুরুর ঘোষণা আসার সম্ভাবনা জোরালো।’ তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, চাঁদ দেখার বিষয়টি ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তাই রমজানের শুরুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেশটির ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের চাঁদ দেখার রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে।

একইসঙ্গে তারা ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখও জানিয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুসারে, ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ২০ মার্চ (শুক্রবার) এমনটাই জানানো হয়েছে অ্যারাবিয়ান বিজনেসের প্রতিবেদনে।

প্রতিটি দেশ তাদের নিজস্ব ধর্মীয় নীতিমালা অনুসারে চাঁদ দেখার বিষয়টি বিবেচনা করে। যেমন সৌদি আরব, আমিরাত, কুয়েত ও কাতারের মতো দেশগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো চাঁদ দেখার জন্য চোখে দেখাকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করে। ফলে দেশে দেশে রমজান শুরুর তারিখে এক বা দুই দিনের পার্থক্য হয়ে থাকে।

Exit mobile version