বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িসহ সারা দেশে শিশুদের হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাশ্বর্বর্তী রামু উপজেলাকে হামের “হটস্পট” ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতাল কতৃপক্ষ। যেহেতু রামু উপজেলা বেষ্টিত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা, তাই এ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ হাম এর বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন হাসপাতাল প্রধান ডাক্তার আবুল মনজুর।
হাসপাতালের দায়িত্বরত ডা. মো: তাওসিফ রাজ বলেন,নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে এই পর্যন্ত ৪ জন হামের রোগী নিয়ে আসেন অভিভাবকরা। তাদের ২ জনের অবস্থা খারাপ দেখে তাদেরকে শুরুতেই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। বাকী ২ শিশু ভর্তিকে করানো হয়েছিল। তাদের একজন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ফুলতলী গ্রামের। তার নাম আবু রায়হান বয়স ১৪ মাস। অপর জন রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা গ্রামের। তার নাম মিজানুর রহমান (৫)। এই দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকেও কক্সবাজারে রেফার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তিদের ৯৫ ভাগ শিশু । যারা জ্বর,সর্দি,শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়া রোগী। তাদের সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আইসোলেশন সক্রিয় রাখা হয়েছে। বিপদকালীন তাদের সেখানে রাখা হবে।
হাসপাতাল প্রধান ইউএইচএফপিও ডা. মুহাম্মদ আবুল মনজুর বলেন, সারা দেশের ন্যায় হামের প্রাদুর্ভাব নাইক্ষ্যংছড়িতেও দেখা দেয়। তবে খুবই সামান্য। যেহেতু পার্শ্ববতী রামু উপজেলাকে হামের হটস্পট ঘোষণা করা হয়েছে তাই তিনি জরুরী সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। সর্বোচ্চ সর্তকাবস্থানে আছেন তার পুরো টীম।
