parbattanews

পরকীয়ায় ঘর ছাড়ল দু’সন্তানের জননী: বেগমগঞ্জের প্রেমিকযুগল মানিকছড়িতে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রতিবেশি লক্ষ্মীনারায়ণপুরের খোরশেদ আলমের পুত্র এক সন্তানের জনক মো.ফখরুল ইসলাম প্রকাশ সৈকত হাসান লিটনের (৩০) সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে বেগমগঞ্জের দুই সন্তানের জননী মুক্তা (২৭) ঘর ছাড়তে দ্বিধা করলেন না! ১১ দিন পর পুলিশ প্রেমিক যুগলকে মানিকছড়ি থেকে উদ্ধার করেছে।

বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ থানার একলাসপুর গ্রামের মো. নুর নবীর স্ত্রী ২ কন্যা সন্তানের জননী মাহমুদা আক্তার মুক্তা (২৭) প্রতিবেশি লক্ষ্মীনারায়ণপুরের ১ সন্তানের জনক মো.ফখরুল ইসলাম প্রকাশ সৈকত হাসান লিটনের (৩০) দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর ধরে পরকীয়ায় আসক্ত। গত ১৩ জুন সকালে বড় মেয়ে সানজীদা আক্তারকে (৫) স্কুলে দেয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে (বড় মেয়েসহ) প্রেমিককে নিয়ে উধাও হন! ৩ বছর বয়সী শিশু সন্তান মাইমুনা ইসলামকে ঘরে রেখে প্রেমিকের সাথে চলে আসেন খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে। মুক্তার স্বামী মো.নুরনবী অনেক খোঁজাখুজির পর ১৭ জুনে বেগমগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) নং ৭৮০ তারিখ-১৭.৬.১৫ দায়ের করেন। পরে পুলিশ প্রেমিক যুগলকে উদ্ধারে তৎপর হয়।

অবশেষে গত ২৩ জুন (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেগমগঞ্জ থানার এস.আই মো. বেলায়েত হোসেন ফোর্স নিয়ে মানিকছড়ি থানার এসআই মো.তোফায়েল আহম্মদের সহায়তায় উপজেলার মহামুনি পাড়ার মো.আবুল কাশেমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে রাতেই বেগমগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।

মানিকছড়ি থানার ও.সি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, প্রেমিক যুগলের আত্মগোপনের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ফোর্স পাঠিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রেমিক যুগল জানান, তারা গত সাড়ে ৩ বছর ধরে পরকীয়ায় জড়িত। গত ১৩ জুনে স্বেচ্ছায় পালিয়ে এসে পূর্বের স্বামী ও স্ত্রীকে তালাক দিয়ে একে অপরের সাথে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তবে এ সংক্রান্ত কোনো কাগজ-পত্র দেখাতে পারেননি।

Exit mobile version