parbattanews

পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐকবদ্ধ থাকার আহবান জানালেন হান্নান মাসউদ

পরাজিত শক্তির সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐকবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়েছেন এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদ। তিনি তাঁর ফেইসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাসে বলেছেন, ‘পাহাড় ও সমতলের বাংলাদেশের সকল নাগরিকের প্রতি আহবান থাকবে পরাজিত ও ফ্যাসিবাদী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ঐকবদ্ধ থাকুন।’

তরুণ এই বিপ্লবী নেতার গতকালের এক বক্তব্যের মাঝে সীমাহীন দেশপ্রেম ফুটে উঠলেও বিপত্তি বাধে ‘ভুয়া’ শব্দটি নিয়ে। ধর্ষণের অভিযোগে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলার প্রেক্ষিতে সন্দেহভাজন এক হিন্দু কিশোরকে আটক করে ইতোমধ্যে রিমান্ডে আনা হলেও কিশোরীটি ধর্ষিত হয়েছে কিনা সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গ্রহণ না করেই পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী কিছু সংগঠন জুম্ম শিক্ষার্থীদের লেলিয়ে দিয়ে শহরে সহিংস সড়ক অবরোধের নামে নাশকতা শুরু করে। হাজার হাজার পর্যটক, শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী মানুষদের বেকায়দায় ফেলে। যা ধাবিত হয় পাহাড়ি-বাঙালি দাঙ্গার দিকে। এতে প্রতিবেশি শত্রুদের দীর্ঘ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্র তৈরির সুযোগ যাতে তৈরি না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহবান জানিয়ে গতকাল বক্তব্য দেন হান্নান মাসউদ। তাঁর এই বক্তব্য ষড়যন্ত্রকারীদের পছন্দ হয়নি। তারা ‘ভুয়া ধর্ষণ’ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানায়।

এজন্য আজ ২৯ সেপ্টেম্বর হান্নান মাসউদ ফেইসবুক পেইজে স্ট্যাটাস দিয়ে ‘ভুয়া ধর্ষণ’ শব্দটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করলে পরাজিত শক্তি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ষড়যন্ত্রের সাথে একমত হননি। তিনি বলেছেন, ‘পরাজিত ও ফ্যাসিবাদী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ঐকবদ্ধ থাকুন। আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করুন।’

তাছাড়া তিনি উভয় পক্ষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের প্রতি আহবান জানান।

জানা যায়, খাগড়াছড়ি সদরে মারমা কিশোরী ধর্ষণ অভিযোগ কেন্দ্র করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহিংস সড়ক অবরোধ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে যখন সারাদেশের মানুষ উদ্বিগ্ন, ঠিক সেই মুহূর্তে গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর হাতিয়ায় একটি ঐতিহাসিক মন্তব্য করেন এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদ।

হান্নান মাসউদের গতকালের বক্তব্য, ‘ভারত বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল দখল করতে চায়। বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। ভারত শেষ ট্রাম্পকার্ড খেলছে, একটি ভুয়া ধর্ষণের ঘটনার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। আমরা আমাদের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেব না। ১৯৭১ সালে যেমন পাকিস্তানের মোকাবিলা করেছি, ২০২৫ সালেও ভারতের মোকাবিলা করবো’।

Exit mobile version