parbattanews

পর্যটন দিবসে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন: মেলার পাশাপাশি থাকছে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা ও নৌকা বাইচ

Porjaton-02

 আলমগীর মানিক, রাঙামাটি:

পর্যটন একটি বহুমাত্রিক শিল্প। এই শিল্প জাতিগত সংযোগ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টির অন্যতম বাহন। বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভ্রমনের সক্ষমতাও আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আভ্যন্তরীণ পর্যটনের উন্নয়নের মাধ্যমে বৈদেশিক পর্যটক আকর্ষণের ধারা সুচিত হয়। সেই লক্ষে বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বর্ণাঢ্য দিবস, মেলা পার্বন, পৌষ উৎসব, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির নিজস্ব সাংস্কৃতিক উৎসবসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠির সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডগুলি ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে সফল আয়োজনের মাধ্যমে দেশী বিদেশী পর্যটকদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। তাহলেই পার্বত্য শহর রাঙামাটিতে পর্যটকদের আগমন বাড়বে।

তারই আলোকে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আবাসিক হোটেল, কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমনের টুরিষ্ট বোট, যাত্রীবাহি সিএনজি অটোরিক্সায় ডিসকাউন্ট ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার থেকে রাঙামাটি শহীদ শুক্কুর ষ্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে পক্ষকালব্যাপী পর্যটক মেলা। পর্যটন শিল্প বিকাশের প্রত্যয়ে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে হোটেল মালিক সমিতির সহযোগিতায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে আয়োজিত এই পর্যটক মেলার আয়োজন। রাঙ্গামাটি শহরের শহীদ শুক্কুর ষ্টেডিয়ামে আয়োজিত এই পক্ষকালব্যাপী পর্যটন মেলা উপলক্ষ্যে মেলা চলকালীন সময়ে আবাসিক হোটেল সমূহে নির্ধারিত ভাড়া থেকে ৩০% ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সাথে সাথে ইঞ্জিন চালক সমিতি ও বোর্ট মালিক সমিতিও নির্ধারিত ভাড়া থেকে ২০% ছাড় দেওয়ার ঘোষনা দিয়েছে।

‘আমরা আশা করব আপনারা যারা সাংবাদিকতার মহান পেশায় জড়িত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রচারের মাধ্যমে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সার্থক করে তুলতে অবদান রাখবেন।’- বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এমনই ভাবে সহযোগিতা চাইলেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। এসময় রাঙ্গামাটি নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মোঃ সালাউদ্দিনসহ জেলা প্রশাসনের বেশ ক’জন ম্যাজিষ্ট্রেট ও হোটেল মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ নেছার উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

এবারের পর্যটন মেলা উপলক্ষে রাঙামাটিতে আগত পর্যটকদের সুবিধার্থে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রকাশিত হবে পর্যটক সহায়ক সচিত্র ট্যুরিষ্ট গাইড। মেলাচলাকালীন পর্যটকদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের দুইজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সার্বক্ষনিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

Exit mobile version