parbattanews

পেকুয়ায় জেলে হত্যার ঘটনায় ৫দিনেও মামলা হয়নি

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় নুর মুহাম্মদ (কালা বদা) (২৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার প্রায় ৫দিন অতিবাহিত হলেও এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি। পরিবার কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কাউকে সরাসরি সম্পৃত্ত করে এজাহার দায়ের করেনি। তবে পুলিশ জানিয়েছে নিহতের বিষয়টি উদঘাটনের জন্য তারা নিবীড় অনুসন্ধান ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে নিহতের ঘটনার ৫দিনের মধ্যে মামলা না হওয়ায় স্থানীয়রা একে বাদি পক্ষের কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন কালা বদা নিহত হওয়ার ওই ঘটনাকে পুঁজি করে একটি পক্ষ তার পরিবারের সাথে সুক্ষ্ম যোগাযোগ রক্ষা করছে। তারা প্রতিপক্ষকে এ ঘটনার সাথে জড়াতে নানা ধরনের দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে অনেককে মামলার সম্পৃক্ত করার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করার অভিযোগও স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে নূর মুহাম্মদের লাশ উদ্ধারের পর থেকে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচূড়া ও গুদারপাড়া এলাকার মৎস্য খামারীরা আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। খামারীরা মামলা ও পুলিশি হয়রানির ভয়ে মৎস্য ঘেরে অবস্থান না করে আত্মগোপনে রয়েছেন। বিশেষ করে ভিন্ন এলাকা চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মৎস্য খামারীরা ভয়ে ঘের ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছেন। এ সুযোগে তাদের মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি চিংড়ি ঘেরে ব্যাপকভাবে লুটপাট হয়েছে বলে ঘের মালিকরা অভিযোগ করেন।

এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে যার কথা বলছে কোনাখালী ইউনিয়নের মানিক নামে ওই যুবকের কোন সন্ধান মিলছেনা। পুলিশ ওই ঘটনার এখনো কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি ।

সুতাচূড়া এলাকার চিংড়ি চাষিরা জানিয়েছেন কালা বদা একজন মৎস্য শিকারী। তাকে গত ৩১আগস্ট রাতে মানিক নামের ওই যুবক বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর পর থেকে দু’দিন তিনি নিখোঁজ থাকে। এ ঘটনায় তার পরিবারের সন্দেহ হলে উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌং চিংড়ি ঘের থেকে মানিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওই দিন কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের মধ্যস্থতায় তাকে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন কালা বদা একজন মৃগি রোগী। বাড়ি থেকে বের হওয়ার দিনে ও রাতে প্রচন্ড বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়েছে। এর তিন দিন পর মাতামুহুরী নদির সুতাচূড়া পয়েন্টের একটি ক্যানেলে পাতানো জালে তার মৃতদেহ আটকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন মৎস্য চাষিরা জানিয়েছেন ওই এলাকার একটি খামারকে ঘিরে তাদের মধ্যে নিহতের এ ঘটনা নিয়ে সন্দেহর সৃষ্টি হয়েছে। রুবেল নামের এক খামারীর অস্থায়ী বাসায় প্রতিদিন কিছু বহিরাগত লোকজন আসা যাওয়া করত। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবক প্রায় সময় রুবেলের বাসায় অবস্থান করতেন। তার বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায় বলে জানা গেছে।

কালা বদা নিহত হওয়ার পর ওই যুবকসহ বাসার অবস্থানরত বহিরাগতরা গা ঢাকা দিয়েছে। এ বাসায় থেকে সাইফুল ও রুবেল ইয়াবা পাচারসহ জুয়ার আড্ডা চালাত প্রতিদিন। তা ছাড়া ওই বাসার সামনে থেকে ধারালো দা উদ্ধার নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে রহস্যের দানা বেধেছে।

পেকুয়া থানার ওসি আবদুর রকিব জানিয়েছেন এখনো থানায় কেউ লিখিতভাবে এজাহার দেয়নি। পুলিশ ঘটনার কারণ উদঘাটনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ না পেলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা রেকর্ড করবে বলে জানান ওসি আবদুর রকিব।

হত্যার ঘটনায় ৫দিনেও মামলা হয়নি

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় নুর মুহাম্মদ (কালা বদা) (২৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার প্রায় ৫দিন অতিবাহিত হলেও এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি। পরিবার কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কাউকে সরাসরি সম্পৃত্ত করে এজাহার দায়ের করেনি। তবে পুলিশ জানিয়েছে নিহতের বিষয়টি উদঘাটনের জন্য তারা নিবীড় অনুসন্ধান ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে নিহতের ঘটনার ৫দিনের মধ্যে মামলা না হওয়ায় স্থানীয়রা একে বাদি পক্ষের কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন কালা বদা নিহত হওয়ার ওই ঘটনাকে পুঁজি করে একটি পক্ষ তার পরিবারের সাথে সুক্ষ্ম যোগাযোগ রক্ষা করছে। তারা প্রতিপক্ষকে এ ঘটনার সাথে জড়াতে নানা ধরনের দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে অনেককে মামলার সম্পৃক্ত করার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করার অভিযোগও স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে নূর মুহাম্মদের লাশ উদ্ধারের পর থেকে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচূড়া ও গুদারপাড়া এলাকার মৎস্য খামারীরা আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। খামারীরা মামলা ও পুলিশি হয়রানির ভয়ে মৎস্য ঘেরে অবস্থান না করে আত্মগোপনে রয়েছেন। বিশেষ করে ভিন্ন এলাকা চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মৎস্য খামারীরা ভয়ে ঘের ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছেন। এ সুযোগে তাদের মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি চিংড়ি ঘেরে ব্যাপকভাবে লুটপাট হয়েছে বলে ঘের মালিকরা অভিযোগ করেন।

এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে যার কথা বলছে কোনাখালী ইউনিয়নের মানিক নামে ওই যুবকের কোন সন্ধান মিলছেনা। পুলিশ ওই ঘটনার এখনো কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি ।

সুতাচূড়া এলাকার চিংড়ি চাষিরা জানিয়েছেন কালা বদা একজন মৎস্য শিকারী। তাকে গত ৩১আগস্ট রাতে মানিক নামের ওই যুবক বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর পর থেকে দু’দিন তিনি নিখোঁজ থাকে। এ ঘটনায় তার পরিবারের সন্দেহ হলে উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌং চিংড়ি ঘের থেকে মানিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওই দিন কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের মধ্যস্থতায় তাকে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন কালা বদা একজন মৃগি রোগী। বাড়ি থেকে বের হওয়ার দিনে ও রাতে প্রচন্ড বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়েছে। এর তিন দিন পর মাতামুহুরী নদির সুতাচূড়া পয়েন্টের একটি ক্যানেলে পাতানো জালে তার মৃতদেহ আটকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন মৎস্য চাষিরা জানিয়েছেন ওই এলাকার একটি খামারকে ঘিরে তাদের মধ্যে নিহতের এ ঘটনা নিয়ে সন্দেহর সৃষ্টি হয়েছে। রুবেল নামের এক খামারীর অস্থায়ী বাসায় প্রতিদিন কিছু বহিরাগত লোকজন আসা যাওয়া করত। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবক প্রায় সময় রুবেলের বাসায় অবস্থান করতেন। তার বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায় বলে জানা গেছে।

কালা বদা নিহত হওয়ার পর ওই যুবকসহ বাসার অবস্থানরত বহিরাগতরা গা ঢাকা দিয়েছে। এ বাসায় থেকে সাইফুল ও রুবেল ইয়াবা পাচারসহ জুয়ার আড্ডা চালাত প্রতিদিন। তা ছাড়া ওই বাসার সামনে থেকে ধারালো দা উদ্ধার নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে রহস্যের দানা বেধেছে।

পেকুয়া থানার ওসি আবদুর রকিব জানিয়েছেন এখনো থানায় কেউ লিখিতভাবে এজাহার দেয়নি। পুলিশ ঘটনার কারণ উদঘাটনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ না পেলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা রেকর্ড করবে বলে জানান ওসি আবদুর রকিব।

Exit mobile version