স্টাফ রিপোর্টার:
পেকুয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রাম্যমান সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন বসিয়ে গাড়িতে গ্যাস সরবরাহ বাণিজ্য শুরু করেছে এক প্রভাবশালী মহল। এনিয়ে স্থানীয়রা দূর্ঘটনার আশংকার পাশাপাশি যানজটের শিকারে ভুগছেন এলাকাবাসী।
জানা যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছড়ারপাড়া নতুন বাজার, সদরের প্রাণকেন্দ্র মিয়ার পাড়া এলাকায় বরইতলী মগনামা-বানিয়ারছড়া সড়কের পাশে ও শিলখালী হাই স্কুল স্টেশন এলাকায় যখন তখন ভ্রাম্যমান সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন বসিয়ে নির্বিঘ্নে চালানো হচ্ছে গাড়িতে গ্যাস সরবরাহ বাণিজ্য। ফলে যে কোন মুহুর্তে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ার পাশাপাশি যানজটের আশংকায় ভুগছেন স্থানীয়রা।
গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে যে, চড়াপাড়া নতুন বাজারের বারবাকিয়া সওদাগর হাট মুখী সড়কের ত্রি-মুখী পয়েন্টে একটি কাভার্ড ভ্যানে বড় বড় কয়েকটি গ্যাসের সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করে এনে সিএনজি গাড়িতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। আর ওই ভ্রাম্যমান গ্যাস রিফুয়েলিং গাড়িকে ঘিরে সেখানে শত শত সিএনজি লাইন ধরে তাদের গাড়ীতে গ্যাস নেওয়ার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।
অপেক্ষমান সিএনজি চালকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে গ্যাস বিক্রেতারা কখনও ওই স্টেশনে আবার কখনও পেকুয়া ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন খোলা মাঠে বা রাস্তার পাশে অথবা শিলখালী হাই স্কুল স্টেশনে অবস্থান নিয়ে দেদারছে গ্যাস বিক্রি করেন। অথচ গ্যাস বিক্রির জন্য তাদের কোন সরকারী লাইসেন্স নেই।
পেকুয়া সদরের মিয়ার পাড়া ও শিলখালী ইউনিয়নের একদল প্রভাবশালীরা সিন্ডিকেট গঠন করে স্থানীয় প্রশাসন থেকে কোন ধরনের অনুমতি না নিয়ে এভাবে গ্যাস বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে যা জালানী আইনেরও পরিপন্থী। এতে শুধু তাদের গ্যাস বিক্রির গাড়ীগুলোতেই দুর্ঘটনার আশংকা নয়, গ্যাস সংগ্রহে আসা যাত্রীবাহী সিএনজিতেও ছোট বড় দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যস্ততম রাস্তায় যানজট ও পথচারীদের চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মারুফুর রশিদ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত খোঁজ খবর নিয়ে একটা ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।