মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ৪৮তম অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪ পরিচালনা করেছে। যার মাধ্যমে ইসরায়েলি ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে বিভিন্ন ধরণের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধ ড্রোন ব্যবহার করেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) তাসনিম নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলে, প্রতিশোধমূলক হামলার নতুন ধারাটি গ্যালিলি, গোলান এবং হাইফা সহ উত্তরাঞ্চলীয় অধিকৃত অঞ্চলগুলির অবস্থান এবং সেইসাথে এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি দাবি করছে, বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে এই অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল।
খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেছেন যে, প্রতিটি ইরানী নিহতের অন্যায়ভাবে রক্তপাতের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করা হবে।
২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসলামিক বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনি, বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার এবং বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যার পর ইরানের বিরুদ্ধে বিনা উস্কানিতে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল সরকার।
এই হামলাগুলিতে ইরান জুড়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য হতাহত হয়েছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এর জবাবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালনা করেছে, দখলকৃত অঞ্চল এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ঢেউ দিয়ে আমেরিকান ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে।
