
আলমগীর মানিক, রাঙ্গামাটি:
জনস্বার্থের পরিপন্থি, দেশের অন্য সকল জেলার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, বিশেষ গোষ্ঠিরস্বার্থে আঞ্চলিক পরিষদের প্রস্তাবনায় পার্বত্য জেলা সমূহে বনজদ্রব্য চলাচল বিধিমালা ১৯৭৩ সম্পূর্ণ রহিত করে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের আড়ালে পার্বত্য জেলার বনবিভাগের কর্তৃত্ব জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে উল্লেখ করে এরূপ বিধিমালা প্রণয়ন না করার দাবিতে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং উক্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে স্বারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলন নামে দুইটি সংগঠন।
বুধবার রাঙামাটি জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রধান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সম আধিকার আন্দোলন রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সভাপতি পেয়ার আহম্মদ খান, সিনিয়র সহ সভাপতি সজাব নুরুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সগির আহম্মদ, ছানাউলল্লাহ,সম অধিকার ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আল আমিন এমরান, রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সভাপতি লেহাজ উদ্দিন সরদার (রেহান), সাধারন সম্পাদক বেল্লাল হোসেন টিটু।
প্রদত্ত স্মারলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত বিধিমালায় বন বিভাগ কর্তৃক আসবাবপত্র পরিবহণ এর অনুমতি প্রদানের বিধান মানুষের গৃহস্থালীর ব্যবহৃত আসবাবপত্র পরিবহনের বিষয় যুক্ত করা বনবিভাগের কাজের সাথে কোন ভাবেই সম্পর্কিত হওয়া অবৈধ। বিদ্যমান চট্টগ্রাম হিল ট্রাক্টস টান্সিট রুলস ১৯৭৩ এর বিধি মতে পার্বত্যাঞ্চলে বনজ সম্পদ সংরক্ষণে কোন সমস্যা হচ্ছে না। জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসক, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের কাজকে বন বিভাগের কাজের আওতাভূক্ত না করে প্রয়োজনে বন বিভাগের সীমানা নির্ধারণ করে বন বিভাগের নির্ধারিত জায়গায় বন সৃজন এবং বিদ্যমান বন সংরক্ষণের জন্য অধিকতর কর্মতৎপরতার বিধান করার জোর দাবী জানানো হয়েছে।