parbattanews

বন্যাদুর্গত তুমব্রুতে এমপি সাচিংপ্রু জেরির ত্রাণ বিতরণ

বান্দরবান জেলায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও বসতবাড়ি প্লাবিত হয়েছে, আবার কোথাও পাহাড়ধসে প্রাণহানির মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে।

এমন পরিস্থিতিতে শনিবার বান্দরবানের ৩০০ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরি একযোগে ক্ষতিগ্রস্ত তিন উপজেলার দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন। দুর্গম এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি কোথাও ট্রাকে, কোথাও ভেলায় করে দুর্গত এলাকায় পৌঁছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

দিনব্যাপী লামা ও আলীকদম উপজেলার ত্রাণ কার্যক্রম শেষ করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বন্যাকবলিত তুমব্রু এলাকায় পৌঁছান। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে প্রায় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং বন্যাদুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুমব্রুর কোনারপাড়া এলাকায় খালভাঙন ও খালের গতিপথ পরিবর্তনের ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরি বলেন, “এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। খালের পানি ভিন্ন পথে প্রবাহিত হয়ে একটি পাড়া বিলীন হতে দেওয়া যাবে না। চলমান বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের কাজ করা সম্ভব না হলেও বর্ষা শেষে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কোনারপাড়া সংলগ্ন খালের পাড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে খালের গতিপথ পরিবর্তনের ফলে পুরো এলাকাই মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই বিষয়টিতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে ৩নং ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক রিমন রুদ্র, দুপুর দেড়টার দিকে তুৃৃমব্রু বন্যা কবলিত স্থান পরিদর্শন করেন।

Exit mobile version