parbattanews

বান্দরবানে পাসের হার কমেছে, বেড়েছে জিপিএ ৫

এবারে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় বান্দরবান জেলায় পাসের হার আগের তুলনায় দশ গুণ কমেছে। গেল বছরে জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৭২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কিন্তু সেটি কমে চলতি বছরের পাশের হার দাড়িয়েছে ৬০ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় বেড়েছে জিপিএ ৫।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেদ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এই তথ্য জানান।

জেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস তথ্য মতে, এবার বান্দরবান জেলায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় কারিগরি, মাদ্রাসার ও স্কুলের অংশগ্রহণ করেছিল ৪ হাজার ৯ শত ২৩ জন শিক্ষার্থী।

তারমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২হাজার ৯শত ৬৮ জন শিক্ষার্থী। গত বছরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০০ জন ও চলতি বছরে জিপিএ পেয়েছে ১৩৯ জন শিক্ষার্থীর। যা গত বছরের তুলনায় জিপিএ ৫ বেড়েছে ৩৯ শতাংশ ।

স্কুলভিত্তিক এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪ হাজার ১ শত ৬৯ জন শিক্ষার্থীর। উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৪শত ৬৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৪ জন। এবার স্কুলের পাসের হার ৫৯ দশমিক ২২ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় চেয়ে ২.৫ শতাংশ কমেছে।

মাদ্রাসা ভিত্তিক এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। যার পাশের মান ৭০ দশমিক ৮ শতাংশ। যা গত বছরে তুলনায় পাশের হার কমেছে ১০ শতাংশ।

কারিগরি বিভাগের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩১৫ জন, উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯০জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। যা পাশের হার ছিল ৬০ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছরে তুলানায় পাশের হার কমেছে ১৭শতাংশ।

এ বিষয়ে জেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেদ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, গত বছর চেয়ে এবছরে পাশের কয়েকগুন কমেছে তবে জিপিএ ৫ হার বেড়েছে।

পাশের হার কেন কমেছে সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, অবিভাবকরা ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা প্রতি জোরদার করেনি। শিক্ষার্থীদের কাছে মোবাইল দেয়ার কারণে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়েছে। সে বিষয়ে অবিভাবকদের গুরুত্ব দেয়ার দরকার।

আর প্রত্যান্ত দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের ঘাটতি থাকার কারণে অনেক শিক্ষার্থীরা পড়ালেখ থেকে পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষার মানকে গুরুত্ব দিতে হলে অবিভাবকদের সচেতন হতে হবে আর প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের শিক্ষার মান বাড়াতে হবে’ তবেই পাহাড়ের শিক্ষার মান গুরুত্ব পাবে।

Exit mobile version