parbattanews

বান্দরবানে ২৯ লাখ টাকার কাজ ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ

দুর্নীতি

স্টাফ রিপোর্টার, বান্দরবান :

বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের ২৯ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজ ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন ঠিকাদারসহ প্রকল্প কর্মকর্তারা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অফিস ও ঠিকাদাররা জানায়, মঙ্গলবার দাতা সংস্থা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের (২য় পর্যায়ে) বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবর্তী ইউনিয়নের ত্রিপুরা পাড়া থেকে বান্দরবান-লামা অভ্যন্তরীণ সড়ক পর্যন্ত ১ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের দরপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল।

স্থানীয় ঠিকাদার মোস্তাক আহমেদ ও আশরাফ সরদার জানান, অফিস ম্যানেজ করে সমঝোতার মাধ্যমে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে ২৯ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজটি মেনবে ম্রোর লাইসেন্সে ভাগিয়ে নিয়েছেন ঠিকাদার আব্দুল মান্নান ভূইয়া।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার আব্দুল মান্নান ভূইয়া বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের ত্রিপুরা পাড়া সড়ক নির্মাণ উন্নয়ন কাজের কোনো দরপত্র আমি ক্রয় করিনি। এই কাজটি ভাগবাটোয়ারার (নিকোজেশন) বিষয়েও আমি কিছু জানি না। জেলা প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সহকারী প্রকৌশলী মংমুই অং বলেন, দরপত্রের ক্রয় ও জমাদানের সময় পরিবতনের্র কোনো নোটিশ জারি করা হয়নি। তবে দরপত্র ক্রয়কারী ঠিকাদারদের ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়েছিল।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের জেলা প্রকল্প ব্যবস্থাপক যোগেশ চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, স্বচ্ছতা রেখে নিয়ম মেনেই দরপত্র দেওয়া এবং গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কাজের কোনো অনিয়মের সঙ্গে অফিসের কেউ জড়িত নয়। তবে অফিসের বাইরে ঠিকাদাররা সমঝোতার মাধ্যমে ভাগবাটোয়ারা করলে তাতে আমার কিছুই করার নেই।

স্থানীয় ঠিকাদার মোস্তাক আহমেদ ও আশরাফ সরদার আরও জানান, কোনো নোটিশ ছাড়াই দরপত্র বিক্রি এবং জমা দেওয়ার সময় পরিবর্তন করে ফরম জমা নেওয়ায় স্থানীয় ঠিকাদাররা অংশ নিতে পারেননি। অফিস ম্যানেজ করে ঠিকাদার আব্দুল মান্নান ভূইয়া তিনটি লাইসেন্সে দরপত্র ক্রয় করে এবং জমা দেন।

মঙ্গলবার দুপুরে দরপত্র জমা দেয়ার নির্ধারিত সময় দুপুর বারোটার দিকে মেনবে ম্রো’র লাইসেন্সে পে-অর্ডার জমা দিতে দেখা গেছে। দরপত্র জমা দেওয়া লাইসেন্সগুলা হচ্ছে- চিম্বুক ট্রেডার্স, ক্লিন এন্টারপ্রাইজ এবং মেনবে ম্রো।

Exit mobile version