parbattanews

বান্দরবান-৩০০ আসন: টানা সপ্তমবারের মতো বিজয়ী আ.লীগের প্রার্থী বীর বাহাদুর

আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচনে পার্বত্য জেলা ৩০০ নং আসন বান্দরবানে আবারো নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং।

তিনি টানা ৭ম বারের মতো পুনরায় সংসদ সদস্য হিসেবে জয় লাভ করেছেন। ভোটের চূড়ান্ত হার শতকরা ৬৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

গতকাল রবিবার রাত দশটায় ভোট গণনা শেষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা দেন ৩০০নং আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন।

জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৩০০ নং আসনের বান্দরবান জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৯ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৬ ও পুরুষ ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৩ জন। এবারে নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র ছিল ১৮২টি।

এদিকে গতকাল ৭ জানুয়ারি বান্দরবানের সকাল ৮ থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।তবে ভোটারদের উপস্থিতির ছিল অনেকটাই কম। ভোটকেন্দ্রে পুরুষদের চেয়ে নারী ভোটার ছিল চোখের পড়ার মতো। কিন্তু কয়েকটি কেন্দ্রে সকাল থেকে ছিল ফাকাঁ। জেলায় যে কয়টি কেন্দ্র রয়েছে সেখানে কোন রকমে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সকাল থেকে মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, স্ট্রাইকিং ফোর্স বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী টহল ছিল জোরদারভাবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আওয়ামীলীগের নৌকা প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৭১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এ টি এম শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৬১ ভোট। বিপুল ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন নৌকা প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং।

শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, ভোটকেন্দ্রে বৈধ ভোটের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩২টি, বাতিল ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ১৮টি এবং সর্বমোট ভোটের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭ হাজার ৫০টি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, সকাল থেকে প্রত্যেক ভোটকেন্দ্র গুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠ পর্যায়ের ছিল। ভোটাররা সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রে এসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেন এবং বিকাল পর্যন্ত সুষ্ঠু অবাধে ভোটগ্রহণে শেষ হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, বান্দরবান-৩০০ আসনে বীর বাহাদুর উশৈসিং ১৯৯১ সালে, ১৯৯৬ সালে, ২০০১ সালে, ২০০৮ সালে, ২০১৪ সালে ও সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ষষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

Exit mobile version