রামু প্রতিনিধি:
ভারি বৃষ্টির সঙ্গে উজানের ঢলে কক্সবাজারের রামু বাঁকখালী নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। এদিকে তীরবর্তী গ্রামের শত শত বসত পরিবার চরম আতঙ্কে রয়েছেন। চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে নদীর পানি ঢুকে নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে। বাঁকখালী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙ্গন এবং অবিরাম বর্ষণে রামু সদরে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২৪জুন) সন্ধ্যা থেকে বাঁকখালী নদীর পানি বিপদ সীমার ৬.৪৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই থেকে এ মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এদিকে রামু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সূত্র মতে পানি বৃদ্ধির কারণে গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, কাউয়ারখোপ, ফতেখাঁরকুল, রাজারকুল, খুনিয়া পালং, মিঠাছড়ি, চাকমারকুল, জোয়ারিয়ানালা, রশিদ নগর ও ঈদগড় ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। তাছাড়া স্রোতের তীব্রতা বেশি হওয়ায় ভেঙে যাচ্ছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে শত শত মানুষ। অনেকস্থানে উঁচু সড়কের উপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে স্রোত। এতে ভেঙে যাচ্ছে সড়ক। ভেঙে পড়ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। এতে সর্বস্ব হারাতে হচ্ছে কৃষককে।
কাজ্বী এম আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রবল বৃষ্টিতে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের পশ্চিম মনির ঝিল, পূর্ব পাড়া, ও পশ্চিম কাউয়ারখোপ এলাকায় বন্যা প্লাবিত হচ্ছে। রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ হোসেন জানান, বাঁকখালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে বন্যার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনের সব বিভাগকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
