parbattanews

ভারত-মায়ানমারে নেই, বাংলাদেশে আদিবাসী এলো কোথা থেকে?

এ এইচ এম ফারুক, এই প্রবন্ধের লেখক

পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে গত দুই দশক ধরে ‘আদিবাসী’ শব্দটির যে রাজনৈতিক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে, তা কেবল ঐতিহাসিক সত্যের অপলাপ নয়, বরং একটি সুদূরপ্রসারী ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞগণ। ২০০৭ সালে জাতিসংঘের ‘আদিবাসী অধিকার বিষয়ক ঘোষণাপত্র’ (ইউএনডিআরআইপি) গ্রহণের পর থেকে দেশি-বিদেশি একটি বিশেষ মহল বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোকে ‘আদিবাসী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া। বাংলাদেশের মোট ভূ-খণ্ডের প্রায় এক-দশমাংশ জুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চলটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলের মদদে এক গভীর সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, এই নৃগোষ্ঠীগুলোর আদি উৎসভূমি হিসেবে পরিচিত প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মায়ানমারে যদি তাদের ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি না থাকে, তবে বাংলাদেশে তারা এই দাবি তোলে কোন যুক্তিতে?

চেহারা ও শারীরিক গঠনে বাংলাদেশের পার্বত্য নৃগোষ্ঠীগুলোর সাথে সমতলের মানুষের মৌলিক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, এরা তিব্বতি-বর্মি ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত, যা বৃহত্তর মঙ্গোলীয় মহাজাতির একটি শাখা। তাদের চ্যাপ্টা নাক, ক্ষুদ্র চোখ, উন্নত গালের হাড় এবং চোখের ওপরের বিশেষ ভাঁজ প্রমাণ করে তাদের আদি বংশধারা উত্তর-পূর্ব এশিয়া এবং মঙ্গোলীয় মালভূমি থেকে এসেছে। নৃ-বিজ্ঞানী স্যার হার্বার্ট রিজলি তার গবেষণায় এদের ‘মঙ্গোলো-দ্রাবিড়’ হিসেবে চিহ্নিত করলেও তাদের আদি বসতি হিসেবে দক্ষিণ চীন, তিব্বত ও মায়ানমার সীমান্তকেই নির্দেশ করেছেন। এই মঙ্গোলীয় চেহারার সাদৃশ্যই বলে দেয় তাদের উৎসভূমি এই বঙ্গীয় বদ্বীপ নয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃগোষ্ঠীগুলো যে এই ভূ-খণ্ডের ভূমিপুত্র নয়, বরং বিভিন্ন সময়ে অভিবাসিত হয়ে আসা জনগোষ্ঠী, তার ভূরি ভূরি প্রমাণ ঐতিহাসিক দলিলসমূহেও বিদ্যমান। ১৯০৬ সালে প্রকাশিত আর. এইচ. এস হাচিনসনের বিখ্যাত গ্রন্থ “Gazetteer of the Chittagong Hill Tracts”-এ এই অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর অভিবাসনের ইতিহাস অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। হাচিনসনের তথ্যমতে, চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের মতো বড় গোষ্ঠীগুলো মূলত মায়ানমারের আরাকান ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের কারণে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নিয়েছিল।

একইভাবে ১৮৬৯ সালে ব্রিটিশ প্রশাসক ক্যাপ্টেন জে. পি. লুইন তার “The Hill Tracts of Chittagong and the Dwellers Therein” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ব্রিটিশ আগমনের আগেও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীগুলো এক যাযাবর জীবনযাপন করত এবং তারা কোনো স্থায়ী ভূ-খণ্ডের একক মালিক ছিল না। এই ঐতিহাসিক সত্যগুলো প্রমাণ করে যে, বর্তমানে তারা যে ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি চাচ্ছে, তা ঐতিহাসিকভাবে একটি বড় ধরণের বিভ্রান্তি। তারা এই ভূমির আদি বাসিন্দা নয়, বরং বিভিন্ন যুদ্ধ ও রাজনৈতিক ডামাডোলে বিতাড়িত হয়ে পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছিল।

আদিবাসী প্রশ্নে ভারতের অবস্থান:
উপমহাদেশের প্রধান রাষ্ট্র ভারতে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহ বসবাস করে। কিন্তু ভারত রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো জনগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ (Indigenous) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ভারতের সংবিধানে তাদের ‘Scheduled Tribes’ বা ‘তফসিলি উপজাতি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর ভারত রাষ্ট্রের যুক্তি ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ—ভারতের সীমানায় বসবাসরত সকল নাগরিকই এই মাটির সন্তান বা মূল নিবাসী। নির্দিষ্ট একটি অংশকে ‘আদিবাসী’ বললে বাকি বিপুল সংখ্যক নাগরিককে পরোক্ষভাবে ‘সেটলার’ বা বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত করার ঝুঁকি থাকে, যা রাষ্ট্রের সংহতির পরিপন্থী। এমনকি ভারত বিতর্কিত আইএলও কনভেনশন-১৬৯ (ILO 169) আজ পর্যন্ত স্বাক্ষর করেনি। ভারত বিশ্বাস করে, হাজার বছরের সংমিশ্রণের ফলে এখন আর কাউকে এককভাবে আদিবাসী বলার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

আদিবাসী প্রশ্নে মায়ানমারের নীতি:
ঐতিহাসিক তথ্যানুয়ায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃগোষ্ঠীগুলোর অধিকাংশ গোত্র এ ভূখণ্ডে আসার আগে তাদের বসতি বা তাদের প্রধান উৎসভূমি হলো মায়ানমার (তৎকালীন আরাকান ও পেগু)। অথচ সেই মায়ানমার সরকারও তাদের ১৩৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে ‘National Races’ বা ‘জাতীয় জাতিসত্তা’ (তাইংয়িনথা) হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও ‘আদিবাসী’ হিসেবে গ্রহণ করেনি। মায়ানমার মনে করে, ‘আদিবাসী’ তকমা বিচ্ছিন্নতাবাদকে উসকে দেয় এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ওপর আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দেয়। বিশেষ করে আইএলও কনভেনশন-১৬৯-এর ধারাগুলো তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

দ্বিমুখী রাজনীতির শিকার বাংলাদেশ:
এখানেই বিস্ময়কর বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়। যে মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে তারা বাংলাদেশে এলো, সেখানে তারা আদিবাসী নয়। যে ভারতে তাদের স্বগোত্রীয়রা বসবাস করছে, সেখানেও তারা আদিবাসী নয়। অথচ বাংলাদেশে এসে তারা কেন ‘আদিবাসী’ পরিচয়ের জন্য মরিয়া? এর উত্তর লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের ১১ শতাংশ ভূমি বা পার্বত্য চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ হারানোর গভীর ষড়যন্ত্রে। আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও কিছু স্বার্থান্বেষী এনজিও-র সহায়তায় এই দাবি তোলা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে ‘আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার’ দাবি করে এই অঞ্চলকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।

১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট:
ভারত ও মায়ানমারের এই যৌক্তিক অবস্থান বাংলাদেশের জন্যও একইভাবে প্রযোজ্য। ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর এই অঞ্চল যখন পাকিস্তানের অংশ (পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা) হয়, তখন এখানে বসবাসরত অভিবাসী জনগোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশেও সেই একই ধারা অব্যাহত থাকে। ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী এ দেশের সকল নাগরিকের পরিচয় হবে ‘বাঙালি’। যদিও পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তা ‘বাঙালি’ থেকে ‘বাংলাদেশী’ হিসেবে সংশোধন করে সকল জাতি গোষ্ঠিকে স্বীকৃতি দেন।

স্বাধীনতার পর এক সময়ের বহিরাগত বা অভিবাসী হিসেবে যারা এখানে বসতি স্থাপন করেছিল, রাষ্ট্র উদারভাবে তাদের নাগরিকত্ব দিয়েছে। কিন্তু এই নাগরিকত্বের অর্থ এই নয় যে, তারা রাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট অংশের একক মালিকানা বা ‘আদিবাসী’ স্ট্যাটাস দাবি করে অন্যদের সেই ভূমি থেকে বিতাড়িত করার অধিকার পাবে। সংবিধানে কোথাও কাউকে ‘আদিবাসী’ বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, বরং ‘উপজাতি’ বা ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ হিসেবে তাদের সংস্কৃতির সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে শুরু থেকেই।

আইএলও-১৬৯ ও অনুচ্ছেদ ৩০:
কেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো ‘আদিবাসী’ পরিচয়ের জন্য এত উন্মুখ? এর কারণ কোনো সাংস্কৃতিক আবেগ নয়, বরং রাজনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ। আইএলও কনভেনশন-১৬৯-এর অনুচ্ছেদ ৩০ অনুযায়ী, কোনো দেশে আদিবাসী স্বীকৃতি দেওয়া হলে সেই অঞ্চলে তাদের সম্মতি ছাড়া রাষ্ট্র কোনো সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা বা নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন করতে পারবে না। যদি বাংলাদেশ এই দাবি মেনে নেয়, তবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে তার সার্বভৌম রক্ষার নিয়ন্ত্রণ হারাবে। রাষ্ট্র চাইলেও সেখানে সীমান্ত রক্ষা বা সন্ত্রাস দমনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে না। এটি পার্বত্য এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তাকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি মরণফাঁদ বা ‘ডেথ ট্র্যাপ’।

ভূমি জরিপ, মালিকানার প্রশ্ন এবং রাজস্ব বঞ্চনা:
২০১০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি দৈনিক ইনকিলাব-এ প্রকাশিত আমার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এবং ১ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত “পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমির মালিকানা জটিলতা : জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি” শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধে দেখিয়েছিলাম যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো ভূমি জরিপ না হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। সমতলে যেখানে প্রতি ইঞ্চির খাজনা ও মালিকানা সুনির্দিষ্ট, পাহাড়ে সেখানে এক চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। বর্তমান সরকারের ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন সম্প্রতি স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, “সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না”। সরকারের এই ঘোষণা বাস্তবায়নে পাহাড়ের ভূমি জরিপ করা অপরিহার্য। কিন্তু আদিবাসী দাবিকারীরা ভূমি জরিপের বিরোধিতা করে, কারণ জরিপ হলে তাদের অবৈধ দখলদারিত্ব এবং সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটবে। তারা চায় না দালিলিক প্রমাণ তৈরি হোক, কারণ প্রথাগত অধিকারের দোহাই দিয়ে ভূমি দখলে রাখা তাদের জন্য সহজ।

আমাদের মনে রাখা উচিত, আমরা এখন আর সামন্ত যুগে বাস করছি না। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা ও সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিক সমান। কাউকেই এখানে নিজেকে ‘আশরাফ’ বা উচ্চজাতি ভাবার সুযোগ নেই এবং কাউকে ‘জুম্ম’ ভেবে বাড়তি সুবিধা দেওয়ারও অবকাশ নেই। পাহাড়ে প্রচলিত বিশেষ আইনগুলো মূলত সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক এবং সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙালিদের অধিকারের পরিপন্থী। সারা দেশে যেমন একই ভূমি আইন চলে, পাহাড়েও তেমনি অভিন্ন আইন ও রাজস্ব কাঠামো কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি।

ভারত ও মায়ানমার যেখানে ঐতিহাসিক ও ভূ-রাজনৈতিক সত্যের ভিত্তিতে ‘আদিবাসী’ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে বাংলাদেশের নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ দেশে বসবাসরত সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আমাদের সম্মানিত নাগরিক হতে পারে, কিন্তু তারা কোনোভাবেই ‘আদিবাসী’ নয়। ইতিহাস ও দলিল প্রমাণ করে তারা এ ভূখণ্ডে অভিবাসী হিসেবে এসেছে এবং রাষ্ট্র তাদের পরম মমতায় গ্রহণ করেছে। এখন সময় এসেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ শতাংশ ভূমিতে রাষ্ট্রের পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার।

রাষ্ট্রকে অবশ্যই দ্রুত ভূমি জরিপ সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রতি ইঞ্চির মালিকানা ও রাজস্ব নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ১১ শতাংশ ভূমির নিয়ন্ত্রণ হারানো মানে হলো সামগ্রিক সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। লাখো শহীদের রক্তে ভেজা এই মাটির এক ইঞ্চি জমির ওপরও যাতে কেউ অন্যায্য দাবি তুলতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব। ভারত বা মায়ানমার যা হতে দেয়নি, বাংলাদেশকেও তা রুখে দাঁড়াতে হবে।

তথ্যসূত্র:
১. Gazetteer of the Chittagong Hill Tracts (1906) – R. H. S. Hutchinson.
The Hill Tracts of Chittagong and the Dwellers Therein (1869) – Captain J. P. Lewin.
২. “একদশমাংশ ভূমির মালিকানা নিশ্চিত না হওয়ায় সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে” – এ এইচ এম ফারুক (দৈনিক ইনকিলাব, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০).
৩. “সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই” – ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (দৈনিক দেশ রূপান্তর, ২০২৬).
৪. আদিবাসী স্বীকৃতির দাবি কার স্বার্থে – বাংলাদেশ প্রতিদিন ও পার্বত্য নিউজ (২০১৩).
৫. “পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমির মালিকানা জটিলতা : জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি” (দৈনিক কালেরকণ্ঠ ১ মে ২০২৬)
৬. আইএলও কনভেনশন ১৬৯ ও ১০৭ এবং ইউএনডিআরআইপি তুলনামূলক বিশ্লেষণ.
৭. ভারতের সংবিধান (Scheduled Tribes সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ ৩৪২).
৮. মায়ানমারের নাগরিকত্ব আইন ১৯৮২.

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

Exit mobile version