মানিকছড়ি প্রতিনিধি:
মানিকছড়িতে বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের ডাকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে সকাল সন্ধ্যা অবরোধ চলছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মানিকছড়ির নির্ঝন জনপদ লাফাইদংপাড়ায় সন্ত্রাসী কর্তৃক নিহত আবদুল মতিন (৯০) হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে রবিবার এ অবরোধের ডাক দেয় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের মানিকছড়ির আমতলায় বিপুল পরিমাণ পুলিশকে টহল দিতে দেখা গেছে। মোটরসাইকেল ও টমটম ছাড়া দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
গতকাল শনিবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের সভাপতি মো. সাহাজল ইসলাম সজল কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচিতে রবিবার সকাল-সন্ধ্যা চট্রগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের মানিকছড়ি, জালিয়াপাড়া, গুইমারা, মাটিরাংগা ও খাগড়াছড়ি সদর বাস স্টেশন পর্যন্ত সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলচলে অবরোধ ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য যে, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে মানিকছড়ির নির্ঝন জনপদ লাফাইদং পাড়ায় নিজ বসত ঘরে ঘুমন্ত বৃদ্ধ আবদুল মতিন (৯০)কে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পরে নিহতের ছেলে মো. আলী হোসেন ওরফে ভানু মিয়া বাদী হয়ে ৯ জন এজাহারভূক্ত আসামীর নাম উল্লেখ করে আরো ৮/১০ জন অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং ১ তারিখঃ- ৩.৯.১৫খ্রি.। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রিপ্রুচাই মারমা (৪৮), পিতা- মৃত মমংশে মারমা, ও উসামং মারমা (৩৮), পিতা- চোরাঅং মারমাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
মানিকছড়ি থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ‘অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে, আসামীদের গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। অবরোধের নামে কেউ পরিস্থিতি ঘোলা করার চেষ্টা করলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। আইন শৃংখলা বাহিনী পরিস্থিতি সর্ম্পকে সতর্ক রয়েছে।’
