স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার:
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিয়ানমার থেকে টেকনাফে আমদানী করা ২২১টি গরু ছাড়পত্র প্রদান করা হয়েছে। প্রশাসনিকভাবে জানানো হয়েছে গরু সমুহের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে কোন প্রকার ভাইরাস পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, মিয়ানমারে ‘মেনিনগোএনকেপেলাইটিস’ (Meningoencephalities) নামক ভাইরাস থেকে একটি রোগ সংক্রামিত হওয়ার খবরে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানী নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা অমান্য করে সোমবার টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডোরে আনা হয় ২২১ টি গরু। তারমধ্যে ১৮৫টি গরু স্থানীয় এমপি আবদুর রহমান বদির নামে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ১৪ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় কঠোর সর্তকর্তা অবলম্বন করা হয়। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের মংডু রাজ্যে ‘মেনিনগোএনকেপেলাইটিস’ (Meningoencephalities) ভাইরাস থেকে বা ব্রেইন ফিভার রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত এক সাপ্তাহে মিয়ানমারের মংডু এলাকায় ২০ জন মারা গেছে ও ২০০ জন আক্রান্ত হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, পশুপাখি দ্বারা সংক্রামিত হয়ে এই রোগটি মানব শরীরে প্রবেশ করে মাথায় ছড়িয়ে পড়ে ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে এখনো এ রোগে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি। মিয়ানমারের ব্রাই ফিভারে আক্রান্ত হওয়ার খবরে কক্সবাজার সদর হাসাপাতলে র্যাপিড এ্যাকশান টিম গঠন করা হয়েছে। চিকিৎসকদের ধারণা পশুপাখি এ ভাইসারটি বাহক এবং পশুপাখি থেকে এ রোগটি সংক্রামিত রোগ হয়। তাই মিয়ানমার থেকে পশু আমাদিন সাময়ীক ভাবে বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে প্রশাসনিকভাবে মিয়ানমার থেকে পরবর্তী নিদের্শ না দেয়া পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পশু আমদানী নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
কিন্তু তা অমান্য করে উখিয়া-টেকনাফের এমপি আবদুর রহমান বদি নামে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ করিডোরে সোমবার বিকালে এসে পৌঁছে ১৮৫ টি গরু। একই সঙ্গে রশিদ নামের আরো এক ব্যক্তি নামে পৌঁছে ৩৬ টি গরু। এসব গরু সমুহ প্রশাসনের হেফাজতে নেয়ার পর মঙ্গলবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন জানান, গরু সমুহ স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।