parbattanews

যুদ্ধের ১৪তম দিনে ইরান পরিস্থিতি

ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েল ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরানের মিত্ররা উপসাগরীয় দেশগুলোতে আক্রমণ শুরু করেছে। হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। সংঘাত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ায় ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে।

যুদ্ধের ১৪তম দিনে ইরান পরিস্থিতি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো-

বাবা শাহাদাত বরণের পর নিযুক্ত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তাঁর প্রথম বিবৃতিতে সতর্ক করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ না করা পর্যন্ত ইসরায়েল এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকবে।

তেহরানে ভয়াবহ হামলা:
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তেহরানে “ব্যাপক বিমান হামলা” চালিয়েছে। শুক্রবার সকালে পুরো শহর ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে থাকতে দেখা গেছে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ ও তেলের দাম:
ইরান ও ওমানের জলসীমায় অবস্থিত হরমুজ প্রণালীটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। ফলে ‘ব্রেন্ট ক্রুড’ তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরান জানিয়েছে, এই জলপথ তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ।

বেসামরিক হতাহত:
জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৪৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রভাব
পাল্টা হামলা : ইরান সেইসব উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল ছুড়েছে যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

বাহরাইন ও সৌদি আরব : বাহরাইন জানিয়েছে তারা এ পর্যন্ত ১১৪টি মিসাইল ও ১৯০টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। সৌদি আরব তাদের আকাশসীমায় ৩৮টি ড্রোন ধ্বংস করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত : ইরান দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কিছু হোটেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। ইউএই এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

সরিয়ে নেওয়া : অস্ট্রেলিয়া তাদের অ-প্রয়োজনীয় কর্মকর্তাদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কাতার এয়ারওয়েজ আটকা পড়া নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে ১৪০টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

Exit mobile version