নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার অন্তর্গত ১৪নং বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়ে পাড়া গ্রামের সড়কের বেহালদশা ও গণপরিবহন সমস্যায় চরম দূর্ভোগে এলাকাবাসী। ফলে গ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত হাজী বাদশা মাবেয়া কলেজের এবং প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কোয়ে পাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীসহ শিক্ষকদেরও দুর্ভোগের সীমা নেই। স্থানীয় ভাঙাচোরা ও খানা খন্দকে ভরা সড়ক আর অভ্যন্তরীন সড়ক গণপরিবহন সমস্যা নিয়ে খুব কষ্টে দিন অতিবাহিত করছে এ অঞ্চলের মানুষ।
এব্যাপরে জানতে চাইলে এলাকার বিশিষ্ঠ সমাজ কর্মী অসীম দাশ এ প্রতিবেদককে জানান, বাহিরের সাথে সড়ক পথে যোগাযোগের একমাত্র সড়ক পথ পাহাড়তলী হতে হাফেজ বজলুর রহমান সড়কের মাঝামাঝি ডাইভার্শন সড়ক তথা বেনি সেনের পুল পার হয়ে খেলার ঘাট ।আর যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বন হলো সিএনজি চালিত অটোরিক্সার পাবলিক সার্ভিস ।উল্লেখিত গ্রামীন পরিবহন সার্ভিসের গাড়ীগুলি কোয়ে পাড়া গ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত স্কুল কলেজের সামনে দিয়ে যাতায়াত না করায় দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা বিরাজ করছে।
স্থানীয় একাধিক অটোচালকের বক্তব্য হলো, এই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা উক্ত সড়ক দিয়ে যাত্রী আনা নেওয়া থেকে বিরত রয়েছেন। গ্রামের আর একটি সমস্যা হলো নিদিষ্ট একটি এলাকা হতে কিছু দিন পর পর পল্লী বিদ্যুৎ এর বৈদুতিক ট্রান্সফরমার চুরি যাওয়া। আর এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ঠ গ্রাহকদের প্রত্যেকবারই ৩০/৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ট্রান্সফরমার পূণঃ স্থাপন করতে হয় বলে তথ্য সূত্রে জানা যায়।
এলাকার আভ্যন্তরিন সড়কগুলির সংস্কার ও উন্নয়ন, উল্লেখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সম্মুখের রাস্তা দিয়ে গণপরিবহন ব্যাবস্থার সংযোগ স্থাপন আর বিদ্যুৎ সমস্যাসহ জন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মহল ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন কোয়ে পাড়া গ্রামের সর্বস্তরের জন সাধারন। এ ব্যাপারে এলাকার মাননীয় সাংসদ ও সরকারের গণপূর্ত মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির মাননীয় চেয়ারম্যান এ বি এ ম ফজলে করিম চৌধুরী এর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।