parbattanews

রাঙামাটিতে উৎসব মুখর পরিবেশে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত

Rangamati undp pic,1_1

স্টাফ রিপোর্টার:
রাঙামাটিতে উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস । সোমবার সকাল ১০টায় সিএইচটি ট্রাস্ট বিল্ডারস এলায়েন্সের উদ্যোগে ও সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপির সহায়তায় ‘‘শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অংশীদারিত্ব – সকলের জন্য মর্যাদা’’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে শহরের পৌর চত্বর থেকে একটি শান্তির র‌্যালী বের করা হয়।

র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার নারী-পুরুষ শান্তির ব্যানারে নিয়ে র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালীতে নের্তৃত্ব দেন রাঙামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদ উল্লাহ হক।

পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিএইচটি ট্রাস্ট বিল্ডারস এলায়েন্সের নারী নেত্রী টুকু তালুকদার। রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, রাঙামাটি জেলা যুব লীগের সভাপতি মো. আকবর হোসেন চৌধূরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু সাদ্দাৎ মোহাম্মদ সায়েম, সিএইচটি ট্রাস্ট বিল্ডারস এলায়েন্সের মো. কামরুজ্জামান, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, মৈত্রী চাকমা, প্রবতক চাকমা, এজাজ নবী প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড়ি-বাঙালি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে আসছে। এ বৈচিত্র্যতা গোটা বাংলাদেশকে যেমন সংস্কৃতিগতভাবে সমৃদ্ধ করছে, তেমনি বিপরীত দিকে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীদের মধ্যে জাতিগত ও সাংস্কৃতি ভিন্নতা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা এ অঞ্চলকে দ্বন্দ্বমুখর পরিবেশ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখছে।

বক্তরা আরও বলেন, ১৯৯৭ সালে সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির হলেও পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন সময়ে পার্বত্যাঞ্চলে বহু অনাকাংখিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা ঘটেছে। ফলে এ অঞ্চলের পাহাড়ি-বাঙালী মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে জাতিগত সহিংসতা। বেড়েছে দূরত্ব। দেখা দিয়েছে পারষ্পরিক আস্থা ও অবিশ্বাস। তাই পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সিএইচটি ট্রাস্ট বিল্ডারস এলায়েন্সের।

পাহাড়ের সকল ধর্মের, সম্প্রদায়ের , রাজনৈতিক, বিভিন্ন পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শান্তি আনয়ন স্থিতিশীলতা রক্ষার কাজ করছে। বক্তরা সংঘাত ভুলে সম্প্রীতির বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। পরে স্থানীয় শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করে।

Exit mobile version