parbattanews

রাঙামাটিতে পার্বত্য নাগরিক ও বাঙালি ছাত্র পরিষদের ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
রাঙামাটিতে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার শহরের কাঠালতলীস্থ ইঞ্জিনিয়ারস অব ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার আহবায়ক বেগম নুরজাহানের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি শাব্বির আহম্মদ, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান খান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদেকুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম ফিরোজ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য নাগরিক পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ এর জেলা সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম, জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ সেলিম উদ্দিন, মোঃ নজরুল ইসলাম, আলী আজগর বাদশা, মোঃ নাজিম উদ্দিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা ও ইফতার পার্টিতে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব জহির আহমেদ সওদাগর ও রাঙামাটি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব রবিউল আলম রবি।

প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় সভাপতি শাব্বির আহমেদ বলেন- পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালী ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চশিক্ষা ও চাকরী ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তাই পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালী ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে পার্বত্য বাঙালী কোটা চালুর জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছে। এবং আগামী ঈদের পরে কোটা আদায়ের জন্য ধারাবাহিক আন্দোলনে যাবে। সেই আন্দোলনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বাঙালী জনগোষ্ঠী শিক্ষা, চাকরি ব্যাবসাসহ সকল ক্ষেত্রে তাদের সম-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং পাশাপাশি এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য পাহাড়ী বাঙালী সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জনান।

এতে বক্তারা আরো বলেন, পার্বত্য অঞ্চলকে বাংলাদেশ হতে আলাদা করার জন্য দেশী-বিদেশী যড়যন্ত্র চলছে। বিভিন্ন দাতা সংস্থাগুলো উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে নানা ভাবে সহযোগিতা করছে। ফলে পার্বত্য এলাকায় প্রতিনিয়ত অপহরণ বাণিজ্য, চাঁদাবাজী, খুন, ধর্নণ দিন দিন বেড়ে চলছে এবং পার্বত্য অঞ্চল অশান্ত হয়ে উঠছে।

বক্তারা উপজাতীয়দেরকে ‘আদিবাসী’ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কিছু গণমাধ্যাম ও তথাকথিত বুদ্ধিজীবী তাদেরকে ‘আদিবাসী’ হিসাবে সম্বোধন করায় তার তীব্র সমালোচনা করেন এবং তারা বলেন এটা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রদ্রোহীতা। বক্তারা অবিলম্বে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ তিন পার্বত্য জেলায় র‌্যাব এর স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানান।

Exit mobile version