রাঙামাটিতে টানা প্রবল বর্ষণের ঘটনায় দুই জন নিখোঁজ ও পাহাড় ধসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটি সদরের মগবান ইউনিয়নের দলমনি চাকমা নামের এক ব্যক্তি নদী পার হওয়ার সময় ভেসে যান। তাকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে এমন তথ্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রবল বর্ষণের সময় গত ৭ জুলাই জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া বাজারের এক মুদি ব্যবসায়ী নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. বদিউল আলম (৪৫)।
গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার রাত ৯টার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ বদিউল আলম চট্টগ্রামের পশ্চিম রাঙ্গুনিয়া থানার সরফভাটা গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৭ জুলাই রাত ৯টার দিকে মো. বদিউল আলম মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি থেকে ফারুয়া বাজারের নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ফারুয়া ইউনিয়নের গোয়েনছড়ি বিহার এলাকা-সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে সেখানে বৃষ্টির পানির কারণে মোটরসাইকেল চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি তাকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে দিয়ে জানান যে, বাকি পথটুকু হাঁটলেই তিনি দোকানে পৌঁছাতে পারবেন। এরপর থেকেই বদিউল আলম নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে একই তারিখে রাঙামাটি সদরের মগবান ইউনিয়নের দলমনি চাকমা নামের এক ব্যক্তি নদী পার হওয়ার সময় ভেসে যান। তাকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে একই তারিখে জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড় ধসে লক্ষী বিলাশ চাকমা (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।
এ ছাড়া পাহাড় ধসের ঘটনায় জেলার কাপ্তাই উপজেলায় দুই শিশু আহত হয়েছিল।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ সালমান বলেন, বিলাইছড়িতে নিখোঁজ ব্যবসায়ীকে খোঁজার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া পাহাড় ধসে মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিবারকে প্রশাসন আর্থিক সহায়তা দিয়েছে এবং নদীতে ভেসে যাওয়া নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।
