রাঙ্গামাটির শিমুলতলী এলাকার জনসাধারণকে অবৈধভাবে উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন
আলমগীর মানিক, রাঙ্গামটি:
কোনো প্রকার আইনী প্রক্রিয়া ছাড়া রাঙ্গামাটি শহরের শিমুলতলী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে মানববন্ধনে এলাকার শত শত নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমধিকার আন্দোলন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবছার আলী, ভূক্তভোগীদের পক্ষে নাজমা আক্তার ও মোঃ সোলায়মান।
বক্তারা উচ্ছেদকারীদের কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করায় তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধের মাধ্যমে তাদের ক্ষতিপুরণ দাবী করেন। পরে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাঙামাটি শহরের টেলিভিশন ভবন সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে আসলেও কোনো প্রকার আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিনা নোটিশে পুলিশ বাহিনী দিয়ে আমাদের বসতভিটা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এসময় আমরা আইনী প্রক্রিয়ার কথা জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা রহমান শম্পা আমাদের কোনো কথা নাশুনে ভেঙ্গে ফেলা জিনিসপত্র নিয়ে চলে যেতে বলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি স্থাপনার নির্দিষ্ট সীমানা দেওয়াল থেকে নিরাপদ দুরত্বে সরকারি খাস জমিতে জঙ্গল পরিস্কার করে বসবাসের উপযোগি করে দীর্ঘদিন বসবাস করতে থাকলে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক রুস্তম আলী আমাদের কাছে দেড় লাখ টাকা চাদাঁ দাবি করে আমরা তার চাহিদামতো টাকা দিতে নাপেরে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাদাঁও দিয়েছি কিন্তু বাকি টাকা দিতে নাপারায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আইনের তোয়াক্কা নাকরে জেলা প্রশাসনের মাধ্যম্যে আমাদের থাকার বসতভিটাটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। তারা প্রশ্ন করেন টিভি সেন্টারের নিজস্ব সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ থাকার পরও অবৈধভাবে আমাদের বসবাসরত জায়গাগুলোর প্রতি নজর দিয়েছে পরিচালক রুস্তম আলী।
বক্তারা রুস্তমআলীর বিরুদ্ধে টিভি সেন্টারের ভেতরে অবস্থিত সরকারি গাছ বিনাঅনুমতিতে কেটে বিক্রি করা ও টিভি সেন্টারের বিভিন্ন সরকারি জিনিসপত্র অবৈধভাবে বাইরে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ করে এসব ব্যাপারে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


















